ঢাকা    ১৫ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বিকাশে সেন্ড মানি ৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা!

প্রকাশিত: ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৩০, ২০২১

বিকাশে সেন্ড মানি ৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা!

নজর২৪ ডেস্ক- এজেন্ট এবং সেবা দেবার ক্ষেত্রে এগিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ‘বিকাশ’ ৫০ হাজার টাকার বেশি সেন্ড মানির (টাকা পাঠানো) খরচ ৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করেছে। একই সঙ্গে গ্রাহকের ৫টি পছন্দের (এফএনএফ) নম্বরে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সেন্ডমানি ফ্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

চলতি মাস থেকেই নতুন এ চার্জ কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম।

 

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, বিকাশে নতুন ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। এর আওতায় ৫ কোটি ১০ লাখ গ্রাহকের জন্য এখন ৫টি প্রিয় নম্বরে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি ফ্রি রাখা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, এমএফএস লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি প্রায় ৯০ শতাংশ গ্রাহকই প্রতি মাসে গড়ে তিন থেকে চারটি অ্যাকাউন্টে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পাঠিয়ে থাকেন। তাই গ্রাহককে এই ফ্রি সেবা দেওয়া হচ্ছে।

 

ডালিম জানান, বিকাশের মোট গ্রাহকের ২ থেকে ৩ শতাংশ ৫০ হাজার টাকার উপরে টাকা পাঠিয়ে থাকেন। তাদের টাকা পাঠানোর খরচ বেড়েছে। অর্থাৎ ৫০ হাজার টাকার উপরে লেনদেন করলে তাদের সেন্ড মানির চার্জ ৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে।

 

বিকাশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় পরিমাণ টাকা পাঠানোকে চার্জবিহীন করে গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেনের মূল সেবাটিকে আরও সহজ ও স্বাছন্দ্যময় করেছে বিকাশ। দেশের প্রায় ৯ কোটির বেশি মানুষের হাতে মোবাইল ফোন থাকলেও ৬৯ শতাংশ ব্যবহার করেন ফিচার ফোন।

 

যারা ইউএসএসডি চ্যানেলই ব্যবহার করেন। *২৪৭# কিংবা বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারকারী উভয় শ্রেণির গ্রাহকের জন্যই নতুন এই উদ্যোগে সেন্ড মানি ফ্রি সুবিধা পাবেন। ফলে গ্রাহকরা সেন্ড মানি করতে এজেন্ট বা অন্য কারো ওপর নির্ভরশীল হওয়ার চেয়ে নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা পাঠাতে আরও উৎসাহিত হবেন।

 

মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় সবচেয়ে বেশি টাকা নেয়া প্রতিষ্ঠানটির কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটা প্রযুক্তিনির্ভর সেবা। সেবার পরিসর বড় হওয়ায় লোকবল বেশি। ফলে খরচটাও বেশি। ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য, মান ধরে রাখতে সেবার বিনিময়ে গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ নেয়া হয়’।

 

তিনি বলেন, ‘এখান থেকে খুব বেশি লাভ থাকে না। কারণ, অর্থের বড় অংশই ডিলার, এজেন্ট, নেটওয়ার্ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ভাগ করে দিতে হয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা দিতে খরচ বেশি পড়ে যায়’।