অযত্নে কুবির শহীদ মিনার, খেয়াল নেই প্রশাসনের

কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অযত্নে পড়ে রয়েছে। দুটি পোড়া মাটির ফলক খসে পড়ে আছে। এছাড়া, বিভিন্ন জায়গায় অবহেলার কারণে শ্যাওলা জমে রয়েছে। সরেজমিনে এই বিষয়গুলো দেখা যায়।

 

বিভিন্ন জাতীয় দিবসে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হলেও সংস্কার কাজের দিকে খেয়াল নেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।

 

১৪ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে এ শহীদ মিনারটি উদ্বোধন করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: আলী আশরাফ।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের দক্ষিণ দিকের মিনারের মাঝ বরাবর একটি ও নিচের দিকে একটি পোড়া মাটির ফলক উঠে গেছে। যা দেখতে খুবই দৃষ্টিকটু দেখায়। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ব্যাপারে একেবারেই উদাসীন।

 

বাংলা বিভাগের ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান এ বিষয়ে বলেন, শহীদ মিনার বাংলাদেশিদের কাছে একটি আবেগের জায়গা। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও একটি শহীদ মিনার রয়েছে কিন্তু প্রশাসনের অবহেলায় তা এক প্রকার নাজুক অবস্থায় রয়েছে। প্রশাসনের কাছে দাবি থাকবে দ্রুতই যেন আমাদের শহীদ মিনারের কাঙ্খিত সংস্কার কাজ করা হয়।

 

একাউন্টিং বিভাগের ২০১৭-১৯৮ বিভাগের তুহিন জোবান এ বিষয়ে বলেন, শহীদমিনার জাতির একটি স্পর্শকাতর স্থান। অন্তত এটার সৌন্দর্য রক্ষায় প্রসাসনের এমন উদাসীনতা সত্যিই বেদনাদায়ক।

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী এস. এম. শহিদুল হাসানের সাথে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘এটা আমি এখন প্রথম জানলাম। আমি ইঞ্জিনিয়ার দপ্তরকে বলে দিব যাতে দ্রুত তারা এটি মেরামত করে দেয়।’

 

প্রসঙ্গত, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের স্থপতি রবিউল হুসাইন। এছাড়া অন্যান্য শিল্পীরা হলেন, শান্তনু খান, হাশেম খান, মাহমুদুল হাসান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *