নজর২৪ ডেস্ক- রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন ফারজানা জামান নেহা।
সেদিনের ঘটনা সম্পর্কে আদালতকে তিনি জানান, ওই দিন রেস্টুরেন্টে তিনি মদপান করার পর মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। তখন সেখান থেকে তিনি বাসায় চলে যান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ওই ছাত্রীর বান্ধবী নেহাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে তিনি এ কথা বলেন।
আদালতে নেহা বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি আমার বন্ধু আরাফাতের নিমন্ত্রণে রাতে উত্তরার ব্যাম্বু সুট রেস্টুরেন্টে যাই। সেখানে গিয়ে আরও কয়েকজনকে দেখতে পাই। আমি আরাফাত ছাড়া অন্য কাউকে চিনতে পারিনি। সেখানে আমি মদপান করি। তিন প্যাক খাওয়ার পর আমার মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। আমি তখন সেখান থেকে বাসায় চলে যাই। বাসায় আসার পরও আমার কয়েক দফা বমি হয়। আমি হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।
এদিন মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য নেহাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর আজিমপুর এলাকার একটি বাসা থেকে নেহাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাণ হারানো ছাত্রীর বাবার করা মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।
এ নিয়ে এ মামলায় মোট তিনজন গ্রেফতার হয়ে রিমান্ডে গেলেন।
এর আগে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় গত ৩১ জানুয়ারি তার দুই বন্ধু মুর্তজা রায়হান চৌধুরী ও নুহাত আলম তাফসীরের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
ওইদিনই চারজনকে আসামি করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছিলেন নিহত তরুণীর বাবা। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো একজনকে আসামি করা হয়।
