আন্তর্জাতিক ডেস্ক- নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে জানার পর থেকে জো বাইডেনের বিষয়ে একটিও ভালো কথা বলেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃদ্ধ, মস্তিষ্ক বিকৃত, অর্ধমৃত- কী না বলেছেন তিনি এ ডেমোক্র্যাট নেতাকে।
এমনকি বাইডেনের পরিবারের সদস্যদেরও আক্রমণ করতে ছাড়েননি ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের রীতি মেনে নতুন প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠান থেকেও নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন এ রিপাবলিকান নেতা।
একারণে, শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক হিসেবে ওভাল অফিস ছাড়ার সময় উত্তরসূরীর জন্য ট্রাম্প যে চিঠি রেখে গেছেন, তাতে হয়তো অবাক হয়েছেন অনেকেই। এখন সবার আগ্রহের কেন্দ্রে, কী লেখা ছিল সেই চিঠিতে?
দায়িত্বগ্রহণের প্রথম দিন একগুচ্ছ নির্বাহী আদেশে সই করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এসময়ও তার কাছে প্রশ্ন ছিল, ট্রাম্প কী লিখেছেন চিঠিতে?
ডেমোক্র্যাট নেতার জবাব, ‘প্রেসিডেন্ট [ট্রাম্প] খুবই উদার একটি চিঠি লিখেছেন।’ ব্যাস! এতটুকুই। চিঠি সম্পর্কে এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি বাইডেন।
তার কথায়, ‘কারণ, এটা ব্যক্তিগত। যতক্ষণ তার (ট্রাম্প) সঙ্গে কথা না বলছি, ততক্ষণ এর বিষয়ে কোনো কথা বলব না। তবে চিঠিটি উদার ছিল।’
তবে ট্রাম্পের সিনিয়র এক সহকারী সিএনএনকে জানিয়েছেন, বাইডেনকে লেখা ব্যক্তিগত নোটে দেশ এবং নতুন প্রশাসনের জন্য সফলতা কামনা করা হয়েছে। তিনি জানান, হোয়াইট হাউজে কাটানো শেষ রাতে ট্রাম্প যেসব কাজ করেছেন, তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বাইডেনের জন্য চিঠি লেখাও রয়েছে।
উল্লেখ্য, বারাক ওবামার কাছ থেকে একই রকম চিঠি পেয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই চিঠিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব সম্পর্কে বলেছিলেন ওবামা। তিনি লিখেছিলেন, প্রাত্যহিক রাজনীতির টানাপড়েনের পরও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী রাখার দায়িত্ব আমাদের, অন্তত যেমনটা পেয়েছিলাম তেমনটা রেখে যাওয়াটা জরুরি।’
বিল ক্লিনটনকেও চিঠি দিয়ে গিয়েছিলেন জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘আপনার মঙ্গল কামনা করি। আপনার পরিবারের মঙ্গল কামনা করি। আপনার সফলতা এখন আমাদের দেশের সফলতা। আপনার ভিত্তি মজবুত রাখার জোরালো চেষ্টা করেছি আমি।’
