আন্তর্জাতিক ডেস্ক- করোনার মধ্যেই মুদ্রাস্ফীতির কারণে বেহাল দশা পাকিস্থানের। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম হয়েছে আকাশছোঁয়া। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে দেশটিতে একটি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩০ রুপি করে!
১ ডজন ডিমের জন্য দিতে হচ্ছে সেখানে ৩৫০ রুপি। শীতে পাকিস্থানে ডিমের চাহিদা বেড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।
তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দামও। দেশটিতে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৪ রুপিতে। আদার দাম ১ হাজার রুপি ও গম প্রতি কেজি ৬০ রুপিতে কিনতে হচ্ছে। হঠাৎ করেই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দেশটির মধ্য ও নিম্নবিত্তের মানুষ।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার প্রভাব পড়েছে খাদ্যপণ্যের মূল্যে। সম্প্রতি পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতির হার ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ ছাড়িয়েছে। যা গেলো ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। অর্থনীতির এ অবস্থায় ক্ষোভ বাড়ছে ইমরান খান সরকারের বিরুদ্ধে।
পাকিস্তানের অর্থনীতির হাল ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসলেও প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলছেন তার সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে। দেশটির জনসংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশ দারিদ্রসীমার নিচে। ফলে সাধারণ মানুষের অনেকেই দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন।
ন্যাশনাল প্রাইস মনিটরিং কমিটির সঙ্গে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রণালয় জরুরি বৈঠক করেছে। এতে ফেডারেল সরকারের মন্ত্রী ও প্রাদেশিক মূখ্য সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
