মানুষের বিশ্বাস, আমি আজীবন তাদের পাশে থাকব: ফেরদৌস

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস আহমেদ। চলচিত্রকে ছাপিয়ে এবার দেশের রাজনীতিতে নৌকা প্রতীকে ঝড় তুলছেন তিনি। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে নৌকার প্রার্থী হয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এই অভিনেতা।

প্রথমবার রাজনীতির মাঠে প্রার্থী হিসেবে নেমে নিজের অভিজ্ঞতার কথা সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ফেরদৌস।

তিনি বলেন, এটা আমার কাছে অন্যরকম। নতুন অভিজ্ঞতা। কিন্তু আমি উপভোগ করছি। মানুষের কাছাকাছি যাচ্ছি এজন্য আমার ভেতরে সুন্দর একটা স্বপ্ন দানা বাঁধছে। স্বপ্নটা বড় হবে জানি। কেননা, আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। মানুষের সেবা করতে চাই। মানুষের মানুষের জন্য—এটা আমাকে ভাবায়। এই অনুভূতি অন্যরকম। বুঝিয়ে বলবার মতো নয়। এ যেন নতুন জীবন।

ফেরদৌস বলেন, সাধারণ মানুষরা আমাকে যেরকম ভালোবাসা, মমতা দিচ্ছেন, আশীর্বাদ করছেন সেজন্য আমি ঋণী। অল্প কদিনে যে পরিমাণ সাধারণ মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি সত্যি আমি মুগ্ধ। আমি যতদিন বাঁচব সাধারণ মানুষের কথা আগে ভাবব, তাদের জন্য আগে কাজ করব। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা বলছি, ভোট চাইছি। ধনী-গরিব সবার কাছে যাচ্ছি। কিন্তু সাধারণ মানুষরা আমাকে খুব বেশি আপন ভাবছেন, গ্রহণ করছেন। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, আমি আজীবন তাদের পাশে থাকব। তাদের জন্য কাজ করে যাব। তাদের এই বিশ্বাস ভঙ্গ করব না।

রাজনীতিতে এসে কোন বিষয়টি আপনাকে খুব বেশি স্পর্শ করেছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, পথের মানুষ, খুব সাধারণ মানুষ, মেহনতি মানুষ এবং শ্রমজীবি মানুষের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ আমাকে বেশি স্পর্শ করেছে। সেদিন একজন রিকশাচালক আমাকে টুপি উপহার দিয়ে গেছেন। এই ভালোবাসার প্রতিদান আমি কীভাবে দেব? তাকে মিষ্টি খাওয়াতে চেয়েছি, খাননি। কিন্তু আমার হাত ধরে দোয়া করেছেন।

এই অভিনেতা বলেন, খুব সাধারণ মানুষরা আমাকে প্রতিদিন কিছু না কিছু উপহার দিচ্ছেন। বেশি উপহার দিয়েছেন পতাকা। এছাড়া প্রতিদিন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নৌকা উপহার পাচ্ছি। খুব সাধারণ কজন মানুষ কয়েকদিন আগে আমাকে ফুল উপহার দিয়েছেন। ছোট ছোট বাচ্চারা এসে আমাকে জড়িয়ে ধরছে, আপন করে নিচ্ছে। মায়েরা, বোনেরা আমার মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করছেন। তারা বার বার করে বলছেন, আপনি আবার আসবেন। আমিও কথা দিচ্ছি-সবসময় পাশে থাকব।

আমি মনে করি আমার রাজনীতিতে পথচলা তাদের জন্যই আরও বেশি সুন্দর হবে। কোনোদিনও তাদের কথা ভুলতে পারব না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *