নজর২৪, ঢাকা- বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় অভিযোগ করে বলেছেন, আমরা একটি ভিডিওতে দেখেছি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ঠোঁট নাড়ানো দেখিয়ে অবমাননা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাস বিরােধী বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ কলেন।
মামুনুল হকের উদ্দেশ্যে জয় বলেন, নবীজীর ঠোঁট নাড়ানো নিয়ে ব্যঙ্গ করা চেহারা নিয়ে আর সামনে আসবেন না। এটি আপনার একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু দুঃখের বিষয় কোন ইসলমী সংগঠনকে আমরা এর প্রতিবাদ করতে দেখিনি।
মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, আপনারা একটি জিনিস খেয়াল রাখবেন বঙ্গবন্ধু যেমন ইসলাম ধর্মকে এগিয়ে নিয়েছিলেন; তারই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য তিনিও ইসলাম ধর্ম এবং মাদ্রাসা শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনার সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।
জয় বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আছে বলেই মাননীয় প্রধামন্ত্রী নেতৃত্বে দেশের মানুষ আরাম আয়েশের মধ্যদিয়ে জীবনযাপন করছে। সুতরাং তার পাশে থেকে তার কাজকে এগিয়ে নিতে আমাদের কাজ করা উচিৎ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া অসাম্প্রদায়িক এ বাংলাদেশে কোন সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় জামাত-শিবিরকে হুশিয়ার দিয়ে বলেন, ‘আমরা যদি মাঠে নামি তাহলে আপনারা কিন্তু পালিয়ে যাওয়ার সুযোগও পাবেন না। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে আবারও ধৃষ্টতা দেখান, তাহলে কিন্তু আমরা দাঁতভাঙা জবাব দেব। সারাদেশ পাঁচ মিনিটে অচল করে দেওয়ার ক্ষমতা ছাত্রলীগের আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি নষ্ট-ভ্রষ্ট মামনুল হককে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই, আপনারা বুড়িগঙ্গার ধারে আইসেন, সবকটাকে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়া হবে। সাহস থাকলে ছাত্রলীগের সঙ্গে মোকাবিলা করেন।
নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমি সরকারের প্রত্যেকটি জায়গার সকলকে অনুরোধ জানাবো, এই মামুনুল হক জঙ্গিবাদ সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। জঙ্গিবাদকে যারা সামনে নিয়ে এগিয়ে যায়, তাদের কিন্তু এখনই লাগাম টানতে হবে। তাদের যে লেজ হয়েছে সেটি কেটে দেওয়ার সময় এসেছে।’
