ডিবির হারুনের সঙ্গে খাবার খেয়ে যা বললেন অপু বিশ্বাস

সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগ করতে ও ‘লাল শাড়ি’ সিনেমার পাইরেসি সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতার জন্য ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদের কার্যালয়ে গিয়েছেন অপু বিশ্বাস। রবিবার তিনি সেখানে যান। কাজ সেরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অপু বলেন, ‘কার বা কোন পেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ তা এখনই বলতে চাচ্ছি না। আমি তো অভিযোগ দিয়েছিই।’

নায়িকা বলেন, ‘আমি ‘লাল শাড়ি’ সিনেমাটির প্রযোজক। এটি একটি অনুদানের ছবি। কয়েকদিন আগে ‘সুরঙ্গ’ চলচ্চিত্রটি পাইরেসির শিকার হয়। এরপর চলচ্চিত্রটির টিম ডিবির কাছে এসেছিল। পরবর্তীতে গোয়েন্দারা এই ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনেছে। ‘লাল শাড়ি’ ছবিটি আমার অনেক কষ্টের ফসল। এই ছবিটি নিয়ে পাইরেসির কথা বলতে আমি ডিবিতে এসেছি।’

‘পাশাপাশি আপনারা জানেন যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার বুলিইংটা অনেক বেড়ে গেছে। কারণে-অকারণে ভিউয়ার্স বাড়ানোর আশায় সাইবার বুলিইং করছেন। এটা মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে বাধাগ্রস্ত করে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়’, যোগ করেন অপু বিশ্বাস।

অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘আমরা সবাই পরিবার নিয়ে বসবাস করি। আমাদের একটি অবস্থান আছে। হয়তো আমরা চিত্রনায়িকা কিন্তু বিভিন্ন সময়ে অনেক নিউজের কারণে আমাদের নানা খারাপ পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।’

অপু জানিয়েছেন, ‘আমি সাইবার বুলিইংয়ের বিরুদ্ধে একটি সুষ্ঠু বিচার চেয়ে আবেদন করেছি। সাইবার ক্রাইমে যারা আছেন, তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন।’

ডিবি কার্যালয়ে যাওয়ার পর অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খান অপু বিশ্বাস। হারুন আর রশীদ তার ফেইসবুক পেইজে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে ছবি দিয়ে লিখেছেন, “সাইবার বুলিংয়ের কারণে ডিবি কার্যালয়ে অভিযোগপত্র জমা দিলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস।”

অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে এক ঘণ্টাকাল ছিলেন তিনি। পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের প্রশংসা করে এই চিত্রনায়িকা বলেন, “উনার আতিথেয়তা সত্যিই মুগ্ধ হওয়ার মতো।” পরেক্ষণে তিনি হেসে বলেন, “আমাকেও দুপুরে লাঞ্চ করতে হয়েছে উনার কার্যালয়ে।”

সম্প্রতি বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে পুলিশ পে’টানোর পর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে দুপুরের খাবার খাওয়ানোর ঘটনাটি আলোচনায় আসে। তখন হারুন বলেছিলেন, তিনি তার কার্যালয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করিয়ে থাকেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *