মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছে আ.লীগ: প্রধানমন্ত্রী

ভোট চোরদের জনগণ মেনে নেয়না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২২তম ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ক্ষমতায় যেতে এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার তৈরি করেছিল খালেদা জিয়া। আওয়ামী লীগ এসে মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে ভোটার আইডি স্মার্ট করা হয়েছে। ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছে আওয়ামী লীগ।’

তিনি বলেন, আমরা সরকার গঠনের পর থেকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি। ১৯৯৬ সালে একটা নির্বাচন হয়েছিল। ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ভোট চুরি করে নিজেকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু কারও ভোট চুরি করলে বাংলাদেশের মানুষ তা মেনে নেয় না, এদেশের মানুষ মেনে নেয়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, আন্দোলন হয়েছিল। খালেদা জিয়া সেই ৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল, আর ৩০ মার্চ পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিল। বাংলার জনগণ তাকে বাধ্য করেছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমাদের জেলে নিক আর যাই করুক, আমাদের কিছু প্রস্তাব বাস্তবায়ন করেছিল। ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এটা আমাদের প্রস্তাব ছিল। আমাদেরই স্লোগান ছিল- আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দেব।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করে দিয়েছি। আগে আটটি সক্ষমতা তাদের নিজস্ব ছিল না। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে তাদের হাতে দিয়েছি। বাজেট থেকে সরাসরি তাদের টাকা দেওয়া হয়, যাতে তারা কাজ করতে পারে। ইভিএমের কাজ শুরু হয়েছে। ভোট চুরির দুরভিসন্ধি থাকলে আমরা নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করতাম না। আজিজ মার্কা কমিশন করেই ভোট করতে পারতাম।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *