রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে চলন্ত সিড়িতে ‘দুর্ঘটনার’ শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। শুক্রবার ঘটে যাওয়া ওই দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে শনিবার তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। তাতে তিনি দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থানাকে দায়ী করেন।
তবে একদিন পর নিজের বক্তব্য থেকে সরে এসেছেন ফারিণ। ঘটনার পেছনের ঘটনা জানতে পেরেছেন জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছেন তিনি। এমনকি শনিবারের স্ট্যাটাসটিও মুছে দিয়েছেন অভিনেত্রী।
ফারিণ বলেছেন, ‘একটা ঘটনা ঘটলে সে ঘটনার পেছনেও অনেক ঘটনা ও কারণ থাকে। তাৎক্ষণিকভাবে হয়ত সবটা উপলব্ধি করা সম্ভব হয় না। তবে পরবর্তীতে অনেক কিছু খোলাসা হয়। আমার পূর্ববর্তী স্ট্যাটাস আমি ডিলিট করে দিয়েছি, কারণ সেটা শুধুমাত্র গতকাল (৩ ডিসেম্বর) পর্যন্ত হয়ে যাওয়া ঘটনায় আমার ভাষ্য ছিল। দূ্র্ঘটনা হওয়ার পরবর্তী ঘটনাগুলোর আরেকটা দিক আমার স্ট্যাটাসের পর সামনে এসেছে।’
অস্পষ্টতা রেখেই নিজের বক্তব্য বাড়ালেন ফারিণ। বলে গেলেন, ‘ঘটনা পরবর্তী যেসকল কার্যক্রম নিয়ে আমার অভিযোগ ছিলো, তার বেশিরভাগই তৃতীয় পক্ষ দ্বারা সংঘটিত। মধ্যম ব্যক্তি আমাদেরকে এসে একটা কথা বলেছেন এবং ম্যানেজমেন্টকে আমাদের নামে বানিয়ে মিথ্যা কথা বলেছেন। শুক্রবার হওয়ার কারণে ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের সবাই ছুটিতে ছিলেন এবং সদ্য চলতি মাসে জয়েন করা সে কর্মচারীর কারণে এ বিস্তর ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়, যা ঐ কর্মকর্তার পাঠানো হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজগুলো দেখে আরও পরিষ্কার বুঝতে পারি।’
ফারিণ জানান, শনিবার (৩ ডিসেম্বর) রাতেই যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তার বাসায় এসে বিষয়টির মীমাংসা করেছেন। ফারিণের ভাষ্য, ‘গত (৩ ডিসেম্বর) রাতে প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি সম্পৃক্তদের সঙ্গে কথা বলে আমার ভালো লেগেছে। একজন কর্মকর্তার জন্য পুরো প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করাটা ঠিক না এবং এ ব্যাপারে হয়ত আমার আরেকটু বোঝার প্রয়োজন ছিলো। সেজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। ধন্যবাদ যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি এত গুরুত্ব সহকারে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য।
ধন্যবাদ আমার বাসায় এসে সে সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটানোর জন্য। আসলে আমার জন্য ব্যক্তিগত সম্মানের জায়গাটা অনেক বড়। সেটা নিশ্চিত করতে আপনারা যা করেছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। যমুনা ফিউচার পার্কে আমিসহ অনেকেই নিয়মিত শপিং করতে যাই। আশা রাখছি যেসব জায়গায় কমতি রয়েছে সেগুলোর সমাধান করে ক্রেতাদের একটি নিরাপদ ও সুব্যবস্থাপিত পরিবেশ নিশ্চিত করবে কর্তৃপক্ষ।’
