ইলিয়াস কাঞ্চনের মন্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন জায়েদ খান

গত ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৭তম নির্বাচনের সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে হাইকোর্ট থেকে দেয়া রায় স্থগিত রেখে পদটির দাবিদার অভিনেত্রী নিপুণ আক্তারের লিভ টু আপিল (আপিলের জন্য অনুমতি) গ্রহণ করেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে তিন বিচারকের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

ওই দিন অভিনেত্রীর পক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আপিল বিভাগের এই আদেশের পরে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদে নিপুণের দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা রইলো না।

এদিকে আদেশ দেয়ার পরে বিএফডিসিতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন অভিনেত্রী নিপুণ। সেখানে সংগঠনের সভাপতি ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন আপিল বিভাগের রায়ের ব্যাপারে বলেন, জায়েদ খান যদি এই আদেশ মেনে না নেয় তাহলে জাতিসংঘে যেতে হবে তার।

ইলিয়াস কাঞ্চনের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জায়েদ খান বলেছেন, একটি সমিতির একজন সভাপতি মানে সব শিল্পীর অভিভাবক। সমিতির সভাপতি হিসেবে ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেবের এমন পক্ষপাতমূলক বক্তব্য কারও কাম্য নয়। তিনি আদালতের রায়ের চূড়ান্ত আদেশ না পেয়েই বলে দিলেন।

একজন সর্বজনশ্রদ্ধেয় সিনিয়র শিল্পী এবং শিল্পীদের অভিভাবক যদি এমন অযৌক্তিক ও পক্ষপাতমূলক কথা বলেন, তাহলে তা শিল্পীদের মধ্যে তার প্রতি অনাস্থা ও অসন্তোষ তৈরি করে।

জায়েদ খান আরও বলেন, যেখানে নিপুণ নির্বাচনী আপিল বোর্ডের রায় মেনে নিয়ে ও তাতে স্বাক্ষর করে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা মেনে নিলেন, তারপর আবার এই অন্যায় অভিযোগ কেন। জায়েদ খান বলেন, আমার কথা হলো রায়ের পর নির্বাচনী আপিল বোর্ডের আর কোনো কার্যক্রম থাকে না। অথচ কোন শক্তিতে মোহাম্মদ হোসেন, সোহানুর রহমান সোহান ও জেমী গংরা রায়ের পরও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাগজ চালাচালি করেন। এভাবে যদি কোনো অন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করা হয় তাহলে ভবিষ্যতে চলচ্চিত্র শিল্পের যে কোনো সেক্টরের জন্য এটি কলঙ্কজনক ও নেতিবাচক নজির হয়ে থাকবে।

আমি আশা করছি, ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ভোটারদের ভোটে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমি আমার পদে বহাল থাকব।

আরও পড়ুন