শাকিব আমার ইমেজ নষ্ট করছে, আর নিতে পারছি না: বুবলী

সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে বুবলী-শাকিব খান-অপু বিশ্বাস ইস্যু। বিশেষ করে ডায়মন্ডের নাকফুল উপহারকে কেন্দ্র করে। একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বুবলী জানান, জন্মদিনে শাকিব খান তাকে ডায়মন্ডের নাকফুল উপহার দিয়েছেন।

সেই খবরটি নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করে শাকিবের সাবেক স্ত্রী অপু বিশ্বাস অনেকগুলো হাসির ইমোজি দিয়ে লিখেছিলেন ‌‘কী যে মজা’। তার জবাবে পাল্টা পোস্ট দিয়েছিলেন বুবলীও।

তবে গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাকিব খান দাবি করেছেন, বুবলীর জন্মদিনে তিনি ডায়মন্ডের নাকফুল উপহার দেননি। এমনকি তিনি এও জানিয়েছেন, অপু বিশ্বাস ও বুবলী এখন তার জীবনে অতীত।

এতে বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন বুবলী। ক্ষোভ প্রকাশ করে একটি সংবাদমাধ্যমকে বুবলী জানান, শাকিব তার ইমেজ নষ্ট করছেন।

এ প্রসঙ্গে বুবলী বলেন, ‘প্রায় সাত বছর ধরে ওর সঙ্গে সম্পর্ক। এই সাত বছরে কখনও তার সম্মানহানি হয় এমন কোনো কথা কখনো কোথাও বলিনি। তার সম্মান যেনো ঠিক থাকে সর্বদা সেদিকে খেয়াল করে চলেছি। তার অনুমতি নিয়েই অন্য নায়কদের সঙ্গে কাজ করেছি। কিন্তু তাতে কী হলো? সে তো একের পর এক মন্তব্য করে আমার সম্মানহানি করছে। আমার ইমেজ নষ্ট করছে।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘দুই দিন পর পর আমাকে নিয়ে এভাবে মন্তব্য করা তো মেনে নেওয়া যায় না। আমি তো সবকিছু ঠিক রাখতে কম চেষ্টা করছি না। যখন তার সঙ্গে যোগাযোগ থাকে তখন এক রকম। আবার একটু দূরে এলেই আরেক রকম। কিন্তু আমি তো তার সম্মান হেয় এমন কখনও কিছু বলিনি করিওনি। তাহলে আমাকে নিয়ে কেনো একের পর এক এভাবে মন্তব্য! তাই ভাবছি এখন আমার উচিত বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা। না হলে সবাই আমাকে ভুল বুঝবে।’

সবশেষে বীরের মা জানান, আর চুপ থাকতে চান না তিনি। নিজের মান-সম্মানের কথা ভেবে, সন্তানের কথা ভেবে এবার মুখ খুলবেন তিনি। সংবাদ সম্মেলন করে তুলে ধরবেন বিস্তারিত।

গত ২০ নভেম্বর ছিল ঢালিউড অভিনেত্রী শবনম বুবলীর জন্মদিন। সেদিন এক সংবাদমাধ্যমকে বুবলী জানান, এবারের জন্মদিনে সবচেয়ে আকর্ষণীয় গিফট এসেছে স্বামী শাকিব খানের হাত থেকে। স্ত্রী বুবলীকে হিরার নাকফুল দিয়েছেন স্বামী শাকিব।

তার এই কথা কোট করে একাধিক নিউজও হয়। সেইসব নিউজের একটি লিংক নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করে বুবলীকে খোঁচা দিয়ে অপু লিখেছেন, ‘কী মজা, কী মজা!’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন কয়েকটি হাসির ইমোজি। এরপর থেকেই ঝগড়া চলছে তাদের। এরমধ্যে শাকিব ঢুকতেই ইস্যুটি অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *