সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঘোষিত হলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ স্কোয়াড। দলে থাকা না থাকা নিয়ে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড থেকে বাদ দেয়া হয়েছে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। এমনকি স্ট্যান্ডবাই তালিকাতেও নেই তিনি। মূলত দলের টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট শ্রীরাম শ্রীধরনের পরিকল্পনায় না থাকায় বাদ দেয়া হয়েছে এই অভিজ্ঞ তারকাকে।
বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়লেও এই ফরম্যাট থেকে অবসর নেননি তিনি। তবে ৩৬ বছর বয়সী মাহমুদউল্লাহর জন্য বিসিবির একটি প্রস্তাব ছিল বটে। দল চূড়ান্ত করার সময় অভিজ্ঞ এ ক্রিকেটারকে সেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বিসিবি থেকে মাহমুদউল্লাহকে বলা হয়েছিল, বিশ্বকাপ দলের ভাবনায় তিনি নেই। তবে চাইলে নিউজিল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে খেলে অবসর নিতে পারবেন। বিসিবি সেই সুযোগ করে দিবে। কিন্তু বিসিবির এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মাহমুদউল্লাহ। সাবেক এ অধিনায়ক লড়াইটা চালিয়ে যেতে চেয়েছেন। সূত্র জানায়, আরও ২ বছর খেলার আশা করছেন তিনি।
বয়সটা অফিসিয়ালি ৩৬-এ পৌঁছে গেছে। বছর খানেক ধরে মাঠে দৃষ্টিকটু লাগছিল মাহমুদউল্লাহর পারফরম্যান্স। ফিল্ডিংয়ে তাকে আড়াল করতে হচ্ছিল। এখন নিয়মিত ক্যাচ ফেলছেন তিনি, ব্যাটিংয়েও আগের মতো ছন্দ নেই।
বিসিবি, নির্বাচক প্যানেল, টিম ম্যানেজমেন্ট মাহমুদউল্লাহর শেষ দেখে ফেলেছে। তাই এশিয়া কাপে ২ ম্যাচে ৫২ রান করলেও বাদ দেওয়া হয়েছে তাকে। তবে বিশ্বকাপ দলে না রাখলেও ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে অবসরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও গত মঙ্গলবার বলেছিলেন, মাঠ থেকে বিদায়ের সুযোগ দেয়া হবে মাহমুদউল্লাহকে। কিন্তু অভিজ্ঞ এ ক্রিকেটার সেই সুযোগটা লুফে নেননি বরং নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন।
মাহমুদউল্লাহর বাদ পড়া প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে মিনহাজুল আবেদীন বলেছেন, ‘মাহমুদউল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি, সে আমাদের অনেক ভালো ভালো খেলা উপহার দিয়েছে। আমাদের বর্তমান যে টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট, তিনি এক বছরের যে পরিকল্পনা আমাদের দিয়েছেন, সেটা মাথায় রেখে আমরা এগোচ্ছি। সেই অনুযায়ী টিম ম্যানেজমেন্টের সবার সঙ্গে আলোচনা করে সকলের সম্মতিতে মাহমুদউল্লাহকে বাইরে রাখা হয়েছে।’
