দীর্ঘ প্রায় ৮ মাস পর দেশে ফিরছেন শাকিব খান। এর আগে কখনো এত বেশি সময় তিনি মাতৃভূমি ছেড়ে থাকেননি। গত বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন শাকিব। জানা গেল, ঈদের আগেই দেশে আসছেন তিনি।
শাকিবের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, আগামী ৬ জুলাই বাংলাদেশে আসবেন শাকিব। ঢাকায় পৌঁছাবেন ৮ জুন। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে খুব বেশিদিন অবশ্য থাকবেন না। জুলাই মাসের শেষে ফের যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দেবেন ঢালিউড কিং।
জানা গেছে, শাকিব খানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। সম্প্রতি তিনি হাতে পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি।
আমেরিকা প্রবাসী শাকিবের আরেক ঘনিষ্ঠজন জানান, নিয়ম অনুযায়ী শাকিব খান গ্রিনকার্ড আগেই পেয়েছেন। আমেরিকায় টানা তার ছয় মাস থাকার বিষয়টিও পূরণ হয়েছে। সবশেষ প্রিন্ট আকারে যে কার্ডটি আসার কথা, সেটিও তিনি পেয়েছেন।
গত বছরের নভেম্বরে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিয়েছিলেন শাকিব। গিয়েই গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করেন। সেটার শর্তস্বরূপ টানা সাত মাস নিউইয়র্কে বসবাস করেছেন। এমনকি গত রোজার ঈদও তিনি সেখানে উদযাপন করেছেন। যেটা ছিল পরিবার ছাড়া তার প্রথম ঈদ।
এদিকে শাকিব বাইডেনের দেশের গ্রিনকার্ড পেয়েছেন এ খবর সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে বেশ ধাক্কা দিয়েছে। হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন জনপ্রিয় এ নায়ক? তবে কী তিনি নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে অনিরাপত্তায় ভুগছেন?
দীর্ঘদিন ধরে একক রাজত্ব কায়েম করে ঢালিউড মাতিয়ে চলছেন তিনি। বছরে তার ছবিই কিছুটা ব্যবসা করতে পারছে এ মন্দার বাজারে। তবে বছর বছর কমছে হল, বাড়ছে সিনেমা নিয়ে অস্থিরতা। সেই সব বিষয় হয়তো হতাশ করছে শাকিবকে। বয়সও বাড়ছে, শারীরিকভাবেও প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তিনি। ক্যারিয়ারেরও ভাটার সময় শুরু হয়েছে। একটা সময় তো থামতে হবেই। সেই সব দিক বিবেচনা করে নিজের জনপ্রিয় ইমেজ ধরে রেখে আড়ালে চলে যেতে চান তিনি। স্থায়ী হতে চাইছেন বিদেশে, এমনটা মনে করছেন অনেকে।
কেউ আবার দাবি করছেন, আমেরিকায় শুটিং করার যে জটিলতা তা কাটাতেই দেশটির স্থায়ী নাগরিকত্ব চাইছেন তিনি। এর আগে বেশ কয়েকবার শুটিংয়ের জন্য আবেদন করেও ভিসা পাননি। হয়তো সেজন্যই এ সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।
