স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা- আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে নতুন কারিকুলাম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। মাধ্যমিক স্তরে ২২ ফেব্রুয়ারি শুরু হলেও প্রাথমিকে তা মার্চ থেকে শুরু হবে। আর নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি কাটাতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২২ সালে নতুন শিক্ষাক্রমের পাইলটিং করার কথা। আর ২০২৩ সাল থেকে পরিমার্জিত নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে। উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে ২০২৬ ও ২০২৭ সালে। নতুন শিক্ষাক্রম অনুসারে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, নতুন কারিকুলাম ট্রাইআউট ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। প্রাথমিকে মার্চ থেকে শুরু হবে। মাধ্যমিকে ৬২টি এবং প্রাথমিকেও একই সংখ্যায় করার কথা রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের উপর থেকে চাপ কমিয়ে আনতে এবং পড়াশোনার পরিবেশ আরও আনন্দময় করে তুলতে নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম (কারিকুলাম) অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিকে ৫০০ ঘণ্টা, প্রথম-তৃতীয় শ্রেণিতে ৬৩০ ঘণ্টা, চতুর্থ-পঞ্চম শ্রেণিতে ৮৪০ ঘণ্টা, ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণিতে ১০৫০ ঘণ্টা, নবম-দশম শ্রেণিতে ১১১৭.৫ ঘণ্টা এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ১১৬৭.৫ ঘণ্টা শিখন সময় (বছরে) নির্ধারণ করা হয়েছে।

মহামারির ছুটির আগে ও পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছুটিগুলো এখনও আছে। সাপ্তাহিক ছুটিও দু’দিন। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকে শনিবার ছুটি রাখেন না। এখন থেকে রাখবেন, সেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা মনে করি, একজন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর সপ্তাহে দুটো দিন…, একটু যদি ব্রেক না হয়। এখন তো কম সময় ক্লাস করছিল, তারপরও একটু ব্রেক দরকার আছে। সেটাকে যদি বাদ দিয়ে দিতে পারতাম, তাহলে কয়েকটা দিন বেশি পেতাম। মাসে চারটা দিন বেশি পেতাম, সেটা ঠিক। আবার ধর্মীয় কিছু ছুটি আছে, নানা রকম বিষয় আছে।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের উপর থেকে চাপ কমিয়ে আনতে এবং পড়াশোনার পরিবেশ আরও আনন্দময় করে তুলতে নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম (কারিকুলাম) অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিকে ৫০০ ঘণ্টা, প্রথম-তৃতীয় শ্রেণিতে ৬৩০ ঘণ্টা, চতুর্থ-পঞ্চম শ্রেণিতে ৮৪০ ঘণ্টা, ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণিতে ১০৫০ ঘণ্টা, নবম-দশম শ্রেণিতে ১১১৭.৫ ঘণ্টা এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ১১৬৭.৫ ঘণ্টা শিখন সময় (বছরে) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই কারিকুলামে প্রাক-প্রাথমিক থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা হবে না। এই চার ক্লাসে শিক্ষার্থীদের শুধু শিখনকালীন মূল্যায়ন করা হবে। চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ৪০ শতাংশ নম্বরের জন্য পরীক্ষা দেবেন, বাকি ৬০ শতাংশ নম্বর আসবে তাদের শিখনকালীন মূল্যায়নের মাধ্যমে। নবম-দশমে ৫০ শতাংশ নম্বরের জন্য পরীক্ষা, বাকি ৫০ শতাংশ নম্বর শিখনকালীন এবং একাদশ-দ্বাদশে ৭০ শতাংশ নম্বর পরীক্ষা এবং ৩০ শতাংশ নম্বর শিখনকালীন মূল্যায়নে দেয়া হবে। পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে শিখনকালীন মূল্যায়ন যোগ করে মূল ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *