রাজিব মজুমদার, মীরসরাই (চট্টগ্রাম)- মীরসরাইয়ের সাহেরখালীতে ছুরিকাহত ছয় বারের সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেম ৬ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৩টায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
গত বুধবার (২৬ জানুয়ারি) উপজেলার দক্ষিণ মঘাদিয়া গ্রামের সাহেরখালী খালের কাদামাটি থেকে ছুরিকাহত অবস্থায় উদ্ধার হন সাহেরখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেম (৬৫)। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
ভর্তির পরদিন তার শরীরে একটি অস্ত্রোপচার হয়। এতে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও মঙ্গলবার ভোর ৩টায় আবুল কাশেম মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে হেরে যান। এ ঘটনায় আবুল কাশেমের স্ত্রী ফাতেমা বেগমের দায়ের করা মামলায় ৩ জনকে আটক করেছে মীরসরাই থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেমকে ছুরিকাহত করার ৫ দিন পর সোমবার (৩১ জানুয়ারি) স্থানীয় শাহেরখালী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বেলাল হোসেনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে আবুল কাশেমের স্ত্রী ফাতেমা বেগম মীরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর ওইদিন দিবাগত রাতে প্রধান আসামি বেলালের ছেলে ফাহাদ, নজরুল ও সিরাজুল ইসলাম নামে ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে কি কারণে এই হত্যাকান্ড তা জানাতে পারেনি পুলিশ।
তবে নিহত আবুল কাশেমের পুত্র বদরুদৌজা তারেক তার বাবার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ইউপি সদস্য বেলালসহ সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।
মীরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবুর রহমান পিপিএম জানান, সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেমের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান আসামি বেলালের ছেলেসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তারা ঘটনায় যুক্ত রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শীঘ্রই হত্যার ঘটনায় রহস্য উন্মোচিত হবে। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
