সাইফুল ইসলাম মুকুল, রংপুর ব্যুরো- রংপুরের মিঠাপুকুরে গুলশান হ;ত্যা মামলার প্রধান আ’সামি হারুন মিয়া (৩৮) পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে হারুন নিজে মিঠাপুকুর থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে।
নি;হতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, গত ১২ অক্টোবর রাত দেড়টার দিকে উপজেলার জায়গীরহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে চা দোকান বন্ধ করে বাতাসন দুর্গাপুর গ্রামে ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন গুলশান। পথিমধ্যে বাতাসন দুর্গাপুর গ্রামে ব্র্যাক অফিসের কাছে পৌঁছলে মোটরসাইকেল যোগে আসা হেলমেটধারী দু’র্বৃ’ত্তরা তাকে ধারালো অ’স্ত্র দিয়ে কু’পিয়ে পালিয়ে যায়। গু’রুতর আহত অবস্থায় উ’দ্ধার করে রমেক হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
নি’হত গুলসান রাণীপুকুর ইউনিয়নের বলদিপুকুর মমিনপুর গ্রামের আব্দুল হক ওরফে শহিদুল হকের ছেলে। নি’হতের স্বজনদের অ’ভিযোগ, স্ত্রীর পরকীয়ার জের ধরেই তাকে পরিকল্পি’তভাবে হ’ত্যা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে নি’হতের পিতা বাদী হয়ে হারুনসহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে মিঠাপুকুর থানায় একটি হ’ত্যা মা’মলা দা’য়ের করেন। ঘটনার পরদিন দুপুরে নি’হতের স্ত্রী সেলিনা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রমেক হাসপাতাল থেকে আ’টক করা হয়। তার স্বীকা’রোক্তিমূলক জবা’নবন্দি বিজ্ঞ আদালতে রেকর্ড করেছে পুলিশ।
মিঠাপুকুর থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন বলেন, নি’হতের স্ত্রী সেলিনা বেগমের স্বীকারোক্তি’মূলক জবানব’ন্দি বিজ্ঞ আদালতে রেকর্ড করেছে। মামলার প্রধান আ’সামি হারুন মিয়া থানায় এসে আত্মসমর্পন করেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
