সাইফুল ইসলাম মুকুল, রংপুর ব্যুরো: স্বাস্থ্যবিধি অনুসরন করে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীর প্রথম প্রহরে রংপুর কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী মাঠ কানায় কানায় ভরে উঠেছিলো বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের পদচারনায়। শহিদদের স্মরনে ফুলেল শুভেচ্ছায় ঢেকে যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।
বিজয়ের দীপ্তিতে ও স্বনির্ভর প্রত্যয়ে শ্লোগানে মুখরিত হয় পুরো এলাকা। জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া কড়া নিরাপত্বায় জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় বৃহস্পতিবার সূর্যদয়ের সাথে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ব নগরির মর্ডাণ মোড়স্থ অর্জণ, জিলা স্কুল সংলগ্ন বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, সুরভী উদ্যানে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিসৌধে পুস্পমাল্য অর্পন করেন বিভাগীয় কমিশনার আবদুল ওয়াহাব মিঞা।
পুলিশের ডিআইজি দেব দাস ভট্টাচার্য, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ, পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুলের শুভেচ্ছা দেয় সিটি প্রেসক্লাব, টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন, আপডেট ডায়াগোনেস্টিক সেন্টারসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন।
পরে জেলা স্টেডিয়ামে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াচ। এতে জেলা পুলিশ, মহানগর পুলিশ, আনসার ভিডিপি, বিএনসিসি, স্কাউটস ও নগরির ৫৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শিশু সংগঠন এতে অংশ নেয়।
এদিকে বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে দুপুরে রংপুরে জেলা আওয়ামী লীগ বিজয় মিছিল করে। দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হওয়া মিছিলে অংশ নেয় সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিজয় মিছিল নগরির গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে স্থানীয় জিলা স্কুল মোড়ে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে জানানো হয় শ্রদ্ধা। এসময় জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজু, মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডলসহ সহযোগি সংগঠনের নেতারা জতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বক্তব্য দেন।
