নজর২৪, ঢাকা- তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করলে হবে না, ডা. মুরাদ হাসানকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, তাকে (মুরাদ হাসান) গ্রেপ্তার করতে হবে, বিচার করতে হবে।
মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
রিজভী বলেন, এই ধরনের ব্যক্তির রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। সে যে কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা বলেছেন, সেজন্য তাকে রাজনীতি করার অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। তাকে সব পর্যায় থেকেই সরিয়ে দিতে হবে। এবং প্রচলিত আইনে তার বিচার করতে হবে।
বিএনপি নেতা বলেন, হাট-বাজার, গণমাধ্যম-সোশ্যাল মিডিয়া থেকে রাজপথের প্রতিবাদী মিছিল, সর্বত্রই যখন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে একাট্টা, তখন মানুষের দৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে নিতে নতুন নতুন নাটক তৈরি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, অবৈধ সরকারের মন্ত্রিত্বের সুযোগ নিয়ে প্রতিদিন বিএনপি তথা জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে খিস্তিখেউড় করাই ছিল তার একমাত্র কাজ। খিস্তিখেউড়ে তথ্য-প্রতিমন্ত্রী মুরাদ তার সিনিয়রদের অতিক্রম করে দিনে দিনে দুর্বিনীত হয়ে উঠেছিল। ভব্যতা সভ্যতার সব সীমা অতিক্রম করে মুরাদ জনগণের সামনে দানবের মতো আবির্ভূত হয়েছে। এরা আমাদের সমাজে বসবাস করবে। কিন্তু তাদের আচরণ, চলাফেরা ও কথাবার্তায় প্রতিফলিত হয় কুরুচি, বিবেকবর্জিত ও নারী বিদ্বেষ। তাহলে সেই সমাজে কত বিষাক্ত নৈরাজ্য তৈরি হতে পারে তা সহজেই অনুমান করা যায়।
রিজভী বলেন, নারী বিদ্বেষী, বর্ণবিদ্বেষী মুরাদের মানসিকভাবে বিকৃত বক্তব্য সারা জাতিকে হতবাক ও স্তম্ভিত করেছে। উপর মহল থেকে আশকারা পেয়ে অসুস্থ মানসিকতার একজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা থাকলে ক্ষমতার অপব্যবহারে সে যে বিকারগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে তথ্য-প্রতিমন্ত্রী মুরাদ সেটির একটি প্রমাণ। এরকম একজন আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েই মন্ত্রী হয়ে ক্ষমতার আস্ফালনে দুর্বৃত্ত ও সন্ত্রাসীতে পরিণত হয়।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসময় উপস্থিত ছিলেন, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, শামা ওবায়েদ, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরফত আলী সপু, আসাদুল করীম শাহিন, মাশুকুর রহমান মাশুক, নিপুণ রায় চৌধুরী, মহিলা দলের সুলতানা আহমেদ, ছাত্রদলের আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী।
