নজর২৪ ডেস্ক- নারীর প্রতি অবমাননাকর শব্দ ব্যবহারের পরও কীভাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এখনও স্বপদে বহাল থাকেন, সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নারীবাদী সংগঠন নারীপক্ষ। প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপও কামনা করেছে তারা।
রোববার (০৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ কথা জানিয়ে গণমাধ্যমে ‘প্রতিবাদ বিবৃতি’ পাঠিয়েছে নারীপক্ষ।
এতে বলা হয়েছে, ‘বর্তমান সরকার দাবি করে যে তারা নারীবান্ধব। নারীর প্রতি ন্যূনতম সম্মান রেখে কথা বলতে পারেন না সেই ব্যক্তি কী করে পদে বহাল থাকেন? আমরা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করি।’
দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক জিয়া এবং নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে একটি অনলাইন সাক্ষাৎকারে দেয়া তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের মন্তব্যকে ‘অশ্রাব্য’ বলেও উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।
প্রতিবাদ বিৃবতিতে বলা হয়েছে, ‘বর্তমান সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে সাবেক বিরোধী দলের নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক জিয়া এবং নাতনি জাইমা রহমান সম্পর্কে যে নোংরা গালাগালি করেছেন, এ জন্য তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানা যায়নি।’
প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো নারীকে লুইচ্ছা বলে গালি দেওয়া এবং প্রতিরাতে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের সঙ্গে না শুইলে হয় না ধরনের নারী বিদ্বেষী ও বর্ণবাদী কথন কী করে একজন জনপ্রতিনিধি কেবল নয়, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য উচ্চারণ করতে পারেন এবং এর জন্য আবার গর্ব প্রকাশ করেন।?
