রাজিব আহমেদ রাসেল, স্টাফ রিপোর্টার: আলোচিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় দুই দফা সময় নিয়েও তদন্ত কমিটির কাছে বক্তব্য উপস্থাপন করতে আসেননি অভিযুক্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন।
বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) তদন্ত কমিটি ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে। এরপরও তিনি উপস্থিত না হওয়ায় তার অনুপস্থিতিতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি।
এদিন বিকেল ৫টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সোহরাব আলীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির পাঁচ সদস্য। রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান লায়লা ফেরদৌস হিমেল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের জন্য বেলা ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি। তিনি আসেননি এবং কোনো যোগাযোগও করেননি। পরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অন্যান্যদের সঙ্গে কথা বলে এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিকাল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সোহরাব আলীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।
আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় সবার সামনে এটা খোলা হবে। উপস্থিত সিন্ডিকেট সদস্যদের আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।’
বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রেজারার আব্দুল লতিফ বলেন, ‘তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আগামীকাল সিন্ডিকেট সভায় সবার সামনে সেটি উন্মোচন করা হবে। কমিটির দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদি এতে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে সেটাও ওই সভায় সিদ্ধান্ত হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন সকল শ্রেণীর কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে সবসময় দুর্ব্যবহার করতো। তিনি শিক্ষক হিসেবে কম সবার প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেকে প্রতীয়মান করতো। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই তার অত্যাচারের স্বীকার হয়েছেন।
