এম.এ মুহিত, নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে প্রেমের টানে ঘর থেকে বের হয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েও শেষ পর্যন্ত ঘর বাঁধা হলোনা প্রেমিক যুগলের। প্রেমিকের ঠাই হল জেল হাজতে আর প্রেমিকার ঠাই হলো সেইফ হোমে।
মঙ্গলবার সকালে উক্ত প্রেমিক যুগল জাহিদ হাসান ও সুমাইয়া ফেরদৌসি লিসা নবীগঞ্জ থানায় স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে স্বেচ্ছায় কারাভোগের সিদ্ধান্ত জানান।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের জবানবন্দি শুনে প্রেমিক জাহিদ হাসান (২১) কে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। সেই সাথে প্রেমিকা সুমাইয়া ফেরদৌসি লিসাকে বিজ্ঞ আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি, হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে বয়স নির্ধারনের জন্য প্রেরণ করেন। সেখানে ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে বিজ্ঞ আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি শেষে ভিকটিম সুমাইয়া ফেরদৌসি লিসা তার মা’য়ের জিম্মায় না যাওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক তাকে সিলেট সেইফ হোমে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেছেন।
সুত্রে জানাযায়, নবীগঞ্জ উপজেলার নাদামপুর এলাকার মৃত আব্দুল মতিন খানের মেয়ে সুমাইয়া ফেরদৌসি লিসা (১৮) দীর্ঘদিন ধরে পৌর এলাকার রাজাবাদ গ্রামের ফরহাদ মিয়ার ছেলে জাহিদ হাসান (২১) এর সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। এই খবর সুমাইয়া ফেরদৌসির পরিবারের লোকজন জেনে যাওয়ায় বাধে বিপত্তি।
লিসাকে তার পরিবার তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অন্যত্র বিবাহ দেয়ার জন্য নানা কৌশল করলে গত ৬ সেপ্টেম্বর বিকালে সুমাইয়া ফেরদৌসি লিসা তার প্রেমিকের হাত ধরে ঘর থেকে বেরিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে ফাড়ি দেয়। এ ঘটনায় প্রেমিকার মা বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার খবর পেয়ে প্রেমিক জুটি মঙ্গলবার সকালে থানায় স্বেচ্ছায় হাজির হন।
অপরদিকে এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সম্রাট জানান, উক্ত প্রেমিক যুগল মঙ্গলবার ভোরে পালিয়ে যাবার সময় স্থানীয় নতুন বাজার (গাজীর টেক) এলাকা থেকে তাদের আটক করে প্রেমিক জাহিদকে মামলায় আদালতে প্রেরন এবং প্রেমিকাকে ডাক্তারী পরীক্ষা ও আদালতে জবানবন্দি প্রদানের জন্য হবিগঞ্জ প্রেরন করা হয়েছে।
