ময়লা-আবর্জনা ফেলায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও ডেঙ্গুর প্রকোপে নাগরপুরবাসী

নাগরপুর (টাংগাইল) প্রতিনিধি: সামান্য বৃষ্টিতেই নাগরপুর উপজেলার ব্যক্তি মালিকানা পাগার ভরাট করে অলিগলি পানিতে টইটুম্বুর হয়ে যায়। অপরদিকে স্থানে স্থানে দোকানের কোনায় কোনায় ময়লা আবর্জনার স্তুপ, যা জনসাধারণের চলাচলে ভোগান্তি আর বিড়ম্বনা ক্রমশ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

 

এমন পরিস্থিতিতে নাকাল হচ্ছে উপজেলার জনসাধারণ ও পথচারীসহ সাধারণ মানুষ। এই উপজেলায় নেই পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ময়লা ফেলার ডাস্টবিন ও পাবলিক টয়লেট।

 

নাগরপুর অঞ্চলের কাঁচাবাজার , তালতালা রোড, আরিচা কলেজ রোড, ঔষধ পট্রি ও ইউনিয়ন পরিষদের পিছনে পাগার ভরাট করে ময়লা আর্বজনায় দিয়ে। বেচাকেনার হিসেবে পরিচিত এটি। সপ্তাহের প্রতি বুধবার হাট বসে। আর সপ্তাহের বাকি ছয় দিন কাঁচা বাজার বসে। এদিকে বাজারে নেই কোন আলোর ব্যবস্থা।

 

আশানুরূপ উন্নয়ন তো নেই, নেই সমস্যা সমাধানের কোনো উদ্যোগ। ইজারাদার তার ইচ্ছামতো যেমন খুশি তেমনভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে বর্তমান ইজারাদার থেকে হাটটি একনাগাড়ে চালালেও সবচেয়ে বেশি এই দুই বছর হাটটিতে নোংরা পরিবেশ বিরাজ করছে।

 

তার সময়ে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের তেমন উদ্যোগ নেই বললে চলে। সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে যার ফলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার ও করোনার রোগী দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

এ ব্যাপারে নাগরপুর হাট-বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির আহবায়ক মোঃ হাবিবুর রহমান (লিটন) জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনা না থাকায় আমরা ব্যক্তি মালিকানা যায়গা ময়লা-আর্বজনা ফেলি।

 

সরকারিভাবে ময়লা আর্বজনা রাখার ডাস্টবিন খুব জরুরী। এদিকে নাগরপুর প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক হারুন-অর রশীদ হারুন বলেন, ময়লা আর্বজনা নোংরা পরিবেশ বিরাজ করছে। তার মতে স্কুলের আশেপাশে ময়লা-আবর্জনার স্তুপে পরিণত হয়েছে।

 

যার ফলে কোমলমতি শিশুরা স্কুলে আসতে অনীহা। তবে সরকারে কাছে দ্রুত দাবি জানাই আর্বজনা নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে ড্রেন ও বেশকিছু ডাস্টবিন তৈরি করা।

 

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন হাটের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ করলে তাদের সঠিকভাবে মজুরি না দেওয়ার অভিযোগ ইজারাদারের বিরুদ্ধে।

 

এ বিষয়ে সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান মনি বলেন, আমি অবগত হয়েছি বর্তমানে নাগরপুর বিভিন্ন জায়গায় ময়লা-আর্বজনা ভরপুর হয়েছে যার ফলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে চলছে। খুব শীঘ্রই প্রশাসন, বাজার বনিক সমিতির আহবায়ক কে সাথে নিয়ে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নিব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *