মোদিবিরোধী বিক্ষোভের পেছনে বিএনপির ইন্ধন: তথ্যমন্ত্রী

নজর২৪, নওগাঁ- স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন ঘিরে যে বিক্ষোভ হচ্ছে তার পেছনে বিএনপির ইন্ধন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

 

তিনি বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সেই গোমরটি ফাঁস করে দিয়েছেন। মোদি বাংলাদেশে আসা নিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন তারা ভারতবিরোধী এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন চান না।’

 

বুধবার (২৪ মার্চ) দুপুরে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত বিস্তৃত। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের উন্নয়নে তাদের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক না রেখে আমাদের দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি সম্ভব নয়।

 

মন্ত্রী বলেন, দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পর পর তিনবার মেনডেট পেয়েছে। তার সঠিক নেতৃত্বের কারণেই দেশ আজ নতুন উচ্চতায়। বাংলাদেশ এখন আর দরিদ্র দেশ নয়। এখন মধ্যম আয়ের দেশ। বাংলাদেশ এখন আর খাদ্য ঘাটতির দেশ নয়, খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ। বাংলাদেশ নানা অর্জনের জন্য বিশ্ব সংবাদ হয়, কোনো দুর্যোগ, দুর্বিপাকের জন্য বিশ্ব সংবাদ হয় না।

 

তিনি বলেন, করোনা মোকাবেলায় শেখ হাসিনা যে সফলতা অর্জন করেছেন তা আজ সমগ্র বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। তার নেতৃত্বে করোনা মোকাবেলায় উপমহাদেশে বাংলাদেশের স্থান এখন ১ নম্বরে এবং পুরো বিশ্বে ২০ নম্বরে। পাকিস্তানের কাছ থেকে দেশকে স্বাধীন করার যে স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন এবং স্বাধীন করেছিলেন সে স্বপ্নকে ধরে রাখতে আজকের এই সম্মেলনে আমাদেরকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।

 

সাপাহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম শাহ এর সভাপতিত্বে সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন এবং প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক ড. রোকেয়া সুলতানা, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আব্দুল জলিলের ছেলে নওগাঁ সদর আসনের এমপি ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দীন জলিল প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *