দেশের প্রত্যেক মানুষের দায়িত্ব নরেন্দ্র মোদিকে সম্মান করা: হানিফ

নজর২৪ ডেস্ক- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসার কথা। পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা হঠাৎ সুর তুলছে- তারা নাকি নরেন্দ্র মোদিকে আসতে দিতে চায় না। আপনারা সিদ্ধান্ত নেওয়ার কে?

 

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে যিনি আসবেন, দেশের প্রত্যেকটি মানুষের দায়িত্ব তাকে সম্মান করা। পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে নীতি হিসেবে জাতির পিতা ঘোষণা করে গেছেন। তবে কোনো দেশের সঙ্গে সমস্যা থাকলে তা দ্বিপাক্ষিক সিদ্ধান্তে সমাধান করা হবে।

 

আজ মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের ওয়েলকাম চাইনিজ রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগ এ আয়োজন করে।

 

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে কটুক্তি করা, তার আগমন ঠেকানো; এটা কোনো রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পাকিস্তানের যে প্রেতাত্মারা ধর্মের দোহাই দিয়ে অর্ধশিক্ষিত ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে এই বাংলাদেশে অবস্থান তৈরি করেছিল, আজকে তারাই দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করছে।

 

হানিফ বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে চাই। কিন্তু সোনার বাংলা গড়তে হলে ধর্মীয় অপশক্তিকে চিরতরে নির্মূল করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারের পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে।

 

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা নিজেকে বিশ্বের মধ্যে অত্যন্ত যোগ্য দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। বিদেশি অতিথিরা বলছেন, শেখ হাসিনা এখন অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাময়ী নেতা। আমেরিকান সাংবাদিক নিকোলাস ডোনাবেট ক্রিস্টোফ লিখেছেন- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নারীর ক্ষমতায়ন ও শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা আমেরিকার জন্যও অনুপ্রেরণা হতে পারে।

 

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের সঞ্চালনায় এ সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক বেগম ফরিদুন্নাহার লাইলী এবং যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ।

 

এছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম আলাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহিম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র আবু তাহের সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *