নজর২৪, নোয়াখালী- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্ত্রীর চাপে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন তার ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।
তিনি বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে আজকে যে চক্রান্ত ষড়যন্ত্র চলছে। আমার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যেভাবে তাণ্ডব চলছে। আমাকে গুলি করে হত্যার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আমি আপনাদের সাথে কিছু খোলামেলা কথা বলে যেতে চাই। এ সুযোগ হয়তো আমার আর থাকবে না। আমার জীবন অবসান ঘটবে, আমাকে হয়তো কারাগারে নিক্ষেপ করবে। কিন্তু আমার সাথে আল্লাহ আছে। বাংলাদেশের ৯০ ভাগ মানুষ আমার পক্ষে আছে। ইনশাআল্লাহ আমি কোনো কিছুকে ভয় করি না।
মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টায় আবদুল কাদের মির্জা তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন।
কাদের মির্জা বলেন, আজকে দুঃখজনক হলেও সত্য। আজকে যে তাণ্ডব আমার ওপর চলছে। আমার কর্মীদের ওপর চলছে। আজকে যে অস্ত্রবাজি আমার ওপর হচ্ছে। আমাদের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেবের সহধর্মিনী ইসরাতুন্নেসা কাদের সমস্ত ঘটনা সে পরিচালিত করছে। তার নেতৃত্বে সবকিছু হচ্ছে। সেই আজকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে আমার বিরুদ্ধে এবং আমার কর্মীদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে এবং আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছে। তার অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন পর্যন্ত এখানে আমার ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চলছে।
তিনি বলেন, চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজ সাহেব ভালো মানুষ। আমি ওনাকে জানিয়েছি এখানে ডিবি পুলিশ ওসির নেতৃত্বে এসপির নির্দেশে এখানকার ওসি এবং তদন্ত অফিসারের নির্দেশে ওই সন্ত্রাসীদের একটা চক্র নিয়ে আমার কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি করছে। অথচ আমার মামলাগুলোয় এখন পর্যন্ত একজনকেও গ্রেফতার করা হয়নি। অথচ ইতিমধ্যে প্রায় আমার ২০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর তাদের লোকজন এখানে ঘোরাফেরা করছে। একরাম চৌধুরীর বউ এবং তার ছেলে শাবাব তারপর সম্রাট একটা ছেলে আছে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আমাকে গুলি করে হত্যা করবে। আবারও এখানে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার পায়তারা করে যাচ্ছে।
কাদের মির্জা আরও বলেন, এসব ঘটনার সাথে প্রশাসনের যারা জড়িত আছে নোয়াখালীর এসপি, ডিবির ওসি, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি এবং তদন্ত কর্মকর্তা এই চারজনকে প্রত্যাহার করে নিতে হবে। তাদেরকে যদি প্রত্যাহার করে না নেওয়া হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্ব নিতে হবে।
