নিজস্ব প্রতিবেদক, নজর২৪: অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘সময়ের কন্ঠস্বর’ ও জাতীয় দৈনিক ‘দেশের কন্ঠ’ পত্রিকার শাহজাদপুর উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক রাজিব আহমেদ রাসেল ও তার স্ত্রীর নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে আহমেদ জহুরুল ও জাকারিয়া মাহমুদ নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাংবাদিক রাজিব আহমেদ রাসেল বাদি হয়ে শাহজাদপুর থানায় এই লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আহমেদ জহুরুল ও জাকারিয়া মাহমুদ তাদের ফেসবুক ওয়ালে সাংবাদিক রাজিবের ছবিসহ, তার স্ত্রী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে কুরুচিপূর্ণ, মানহানীকর ও আপত্তিজনক কথা লিখে পোস্ট করেন। যে কারণে সামাজিকভাবে তাদের সুনাম ক্ষুন্ন ও চরম মানহানি হয়েছে।
বিষয়টি লোকমুখে জানতে পেরে সাংবাদিক রাজিব নিজে পোস্টটি দেখেন। পরে তিনি শাহজাদপুর থানায় উপস্থিত হয়ে আহমেদ জহুরুল ও জাকারিয়া মাহমুদ নামে ২ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এই বিষয়ে সাংবাদিক রাজিব আহমেদ বলেন, সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সাথে আমি কাজ করে আসছি। সেই সাথে একটি সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দীর্ঘদিন যাবত জনকল্যাণমূলক কাজও করে যাচ্ছি।
‘আমার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বেশ কিছুদিন আগে শাহজাদপুর থানা পুলিশ একটি মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। এবং তাদের তাদের মাদক সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। সেই মাদক ব্যবসায়ীদের সুবিধা করিয়ে দেওয়ার অসাধু প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই দুজন ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে আগে থেকেই বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত ছিল।’
রাজিব আহমেদ অভিযোগ করেন, এর আগে অপপ্রচারকারী কথিত এই দুজন সাংবাদিকের ইন্ধনে মাদক বিক্রেতাদের দ্বারা আমার বাসায় হামলা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সামাজিকভাবে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং মাদক ব্যবসায়ীদের সুবিধা দেওয়ার অংশ হিসেবে এখন তারা ফেসবুক ওয়ালে আমাকে, আমার স্ত্রী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জড়িয়ে অশালীন, কুরুচিপূর্ণ, ও মানহানীকর কথা লিখে পোস্ট করেন।
এতে আমি সামাজিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমার সামাজিক সংগঠনের কাজও হুমকির সম্মুখীন রয়েছে। তাই আমি ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় আইনের দ্বারস্থ হয়েছি।
জানতে চাইলে এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খান জানান, সাংবাদিক রাজিব আহমেদ ২ জনকে অভিযুক্ত করে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
