যতক্ষণ পর্দায় উপস্থিতি থাকতো ততক্ষণ চরিত্রকে শাসন করতেন৷ যার দরাজ কণ্ঠের গর্জন ছিল বাঘের মতো। তার কণ্ঠে খলনায়কের বিভৎসতা যেমন প্রাণ পেত তেমনি সাদামাটা চরিত্রও দর্শকের মন জয় করতো। বলছি এক সময়ের শক্তিমান অভিনেতা ওয়াসীমুল বারী রাজীবের কথা।
সোমবার (১৪ নভেম্বর) রুপালি পর্দার দাপুটে এ অভিনেতা ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৪ সালের আজকের এই দিনে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেন তিনি।
রাজীবের পর ঢাকাই সিনেমা অনেক খল চরিত্র পেয়েছে তবে তারচেয়ে প্রভাবশালী কিংবা জনপ্রিয় খলনায়ক পাওয়া যায়নি সে অর্থে। তবে রাজীবের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে ধরা হয় মিশা সওদাগরকে।
রাজীবের প্রয়াণ দিনে তার জন্য দোয়া কামনা করে মিশা বললেন, ‘অনেক ভালো এবং উদার মনের মানুষ ছিলেন তিনি। কোনও ঝুটঝামেলায় থাকতেন না। স্পষ্টবাদী ছিলেন, যখন যা বলার সরাসরি বলে ফেলতেন। প্রচুর মিস করি তাকে। আল্লাহ যেন তাকে বেহেশতের উত্তম জায়গায় রাখেন, সেই দোয়া করি।’
মিশা জানান, তিনি খলচরিত্রে কাজ শুরুর পর রাজীবের কাছ থেকে অনেক উৎসাহ ও পরামর্শ পেয়েছিলেন। এমনকি তাকে বিভিন্ন ছবিতে নেওয়ার জন্য সুপারিশও করতেন রাজীব।
খল অভিনেতা হিসেবে রাজীবকেই নাম্বার ওয়ান মনে করেন মিশা সওদাগর। তার দাবি, ‘স্বাধীনতার পর খল অভিনেতার কথা যদি বলি, তাহলে আমার মতে রাজীব ভাই নাম্বার ওয়ান। ভিলেন আর্টিস্ট, শুধু ভিলেন না কিন্তু। এই হিসেবে তিনি সেরা, এক কথায় বললাম।’
