উড়োজাহাজ দেখলে দেশে যেতে খুব ইচ্ছে করে: মারুফ

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়ক কাজী মারুফ। ২০১৫ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া-আসার মধ্যে। ২০১৯ সালে দেশটির গ্রিন কার্ড পান তিনি। আপাতত সেখানেই স্থায়ী ‘ইতিহাস’ খ্যাত এই নায়ক। এবার জানালেন, সেখানে শুধু থাকছেনই না ইতোমধ্যে চারটি বাড়ির মালিকানাও নিয়েছেন তিনি।

বুধবার সকালে তিনি ফেইসবুক পাতায় ওই বাড়িগুলোর ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ। চারটি বাড়ি নিউ ইয়র্কে।”

ভক্তদের মনে কোনো প্রশ্ন জন্ম নিতে পারে- তা আঁচ করে এই অভিনেতা লিখেছেন, “বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশের টাকায় বাড়ি কিনিনি। এখানে কষ্ট করে বাড়ি কিনেছি। আমি সব সময় দেশে রেমিটেন্স পাঠাই। দেশে কিছুই নেই আমার যে দেশ থেকে টাকা নিয়ে আসব।”

দেশ ছাড়ার কারণ দেখিয়ে মারুফ লেখেন, “আমি দেশকে ভালোবেসেছি। কিন্তু দেশ কি আমাকে ভালোবেসেছে? কেন আমি আমেরিকাতে? বাংলাদেশে থাকতে চাই আমিও। উড়োজাহাজ দেখলে খুব ইচ্ছে করে কবে দেশে যাবো, মনে ইচ্ছে হয়…, কিন্তু আছে। কিন্তুর গল্প বলতে আসবো একদিন।”

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে বাবা কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ইতিহাস’ সিনেমার মাধ্যমে ঢালিউডে অভিষেক ঘটে মারুফের। প্রথম সিনেমাতেই বাজিমাত করেন। সিনেমাটি ব্যবসা সফল হয়, সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান মারুফ। এর পর প্রায় ৩৭টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

দেহরক্ষী সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করে প্রশংসা পান। তবে ইভটিজিং সিনেমায় তার কাশেম চরিত্রটি বেশি দর্শকপ্রিয়তা পায়। ২০১৪ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত তার সর্বনাশা ইয়া বা ছবিটিও ব্যবসা সফল হয়।

তার অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘অন্ধকার’, ‘অন্য মানুষ’, ‘ক্যাপ্টেন মারুফ’, ‘শ্রমিক নেতা’, ‘ গরিবের ছেলে বড়লোকের মেয়ে’, ‘আইন বড় না সন্তান বড়’, ‘রাস্তার ছেলে’, ‘পাঁচ টাকার প্রেম’, ‘অশান্ত মন’, ‘আমার স্বপ্ন’, ‘মা আমার জান, ‘আমার মা আমার অহংকার’, ‘মায়ের জন্য মরতে পারি,‘ বড়লোকের দশ দিন গরিবের একদিন’, ‘বস্তির ছেলে কোটিপতি’, ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’, ‘মায়ের জন্য পাগল’, ‘এক টাকার ছেলে কোটি টাকার মেয়ে’, ‘অস্ত্র ছাড়ো কলম ধরো’, ‘ওয়ান্টেড’ অন্যতম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *