নিজে ঠিক তো জগৎ ঠিক: বুবলী

‘পথ গেছে বেঁকে পথের আড়ালে’-জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পারভেজের গাওয়া এই গানটিই যেন এখন শাকিব খান ও বুবলীর জীবনের থিম সং হয়ে ওঠেছে। ঢালিউডের জনপ্রিয় এই নায়ক-নায়িকা জুটি পর্দার ভালোবাসাটাকে নিয়ে যান বাস্তব জীবনে। একে অপরকে ভালোবেসেছেন, বিয়ে করেছেন, বাচ্চাও হয়েছে। তবে গুঞ্জন হিসেবে সেসব ঘটনা শোবিজে ছড়ালেও চার বছর ধরে মুখ খোলেননি তারা। বলেননি কোনো কথা।

মাস খানেক আগে পুরো বিষয়টি প্রক্যাশে আনেন দুজন। জানিয়ে দেন নিজেদের মধ্যকার সম্পর্ক, বিয়ে ও ছেলে শেহজাদ খান বীরের পরিচয়। তবে শোবিজে জোর গুঞ্জন শাকিব-বুবলীর মধ্যে এখন আর কোনো সম্পর্ক নেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাকিব খানের কথা থেকেও স্পষ্ট দুজনের পথ এখন দুদিকে।

এবার এক সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে মুখ খুলেছেন বুবলী। তিনি বলেন, এটা নিয়ে সত্যি কিছু বলার নেই। এ বিষয়টি শুধুমাত্র আমার আর আমার সন্তানের ওপরই না, শাকিব খানের ওপরও প্রভাব ফেলছে। কারণ তিনিও তো আমাদের পরিবারের অংশ। হয়তো সবকিছু মিলিয়ে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনি কিছুটা অভিমান থেকে বিরক্ত হয়েই এসব বলছেন। তাছাড়া শাকিব খান আমার সহকর্মী, স্বামী এবং আমার সন্তানের বাবা। তাই তার অসম্মান হয় এরকম অনেক কথাই আমি বলতে চাই না। কখনো বলিনি। তাকে আমি সম্মান করি। আর পারস্পরিক সম্মানবোধটা খুব গুরত্বপূর্ণ একটি সুন্দর সম্পর্কের জন্য।

আপনি বলেছেন সন্তানের সব দায়িত্ব আপনিই পালন করছেন। শাকিব খান কিছু করছেন না?

এ প্রশ্নের জবাবে বুবলী বলেন, কখনো কি এসব বিষয়ে বলেছি? কারণ আমি সবসময় এই বিষয়গুলো আড়ালে রাখতে চেয়েছি। চুপ থেকেছি। নাহলে বলেছি, ভালো আছি। কিন্তু তার কিছু কথা প্রসঙ্গেই এসব এসেছে। তাছাড়া কিছু মানুষ এমনো ছড়িয়েছে আমি নাকি অনেক আর্থিক সহযোগিতা নিচ্ছি শাকিব খানের কাছ থেকে। যেটা সম্পূর্ণ ভুল। শুরু থেকেই আমার আর ছেলের সব দায়িত্ব একাই পালন করে আসছি। তারপরেও তার প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। হয়তো তিনি শেহজাদ বীরের জন্য সবসময় দোয়া করেন এবং পাশে থাকবেন ভবিষ্যতে।

এসবের পেছনে অন্য কেউ আছে বলে ধারণা? নায়িকার ভাষ্যে, দেখুন, পেছনে যে বা যারাই থাকুক, নিজে ঠিক তো জগৎ ঠিক। তাছাড়া আমরা সবাই প্রাপ্ত:বয়স্ক। বিচার, বিবেকবুদ্ধি সব কিছুই আছে। তাই যার যার ভালো মন্দ নিজেরাই বুঝতে পারেন। যদি একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করেন। কার সামনে নিজেকে জাহির করতে এমন করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *