Home প্রধান খবর রাসেলের মুক্তির দাবিতে শাহবাগে ইভ্যালির গ্রাহকরা

রাসেলের মুক্তির দাবিতে শাহবাগে ইভ্যালির গ্রাহকরা

0
96

অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইভ্যালির সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রাসেলের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বেশকিছু গ্রাহক ও ব্যবসায়ী।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘ইভ্যালির সাধারণ গ্রাহক ও মার্চেন্টবৃন্দ’ শিরোনামের ব্যানারে এই মানববন্ধন আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, রাসেলের মুক্তি হলে গেটওয়েতে আটকে থাকা অর্থ এবং গোডাউনে থাকা পণ্য ফিরে পাবেন তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া গ্রাহক ও মার্চেন্টরা বলেন, ৭০ লাখ গ্রাহক ও ৩০ হাজার মার্চেন্টের টাকা ইভ্যালিতে আটকে আছে। আটকে থাকা টাকার অ্যাকসেস গেটওয়ে রাসেল ভাই ছাড়া অন্য কাউকে দেবে না। রাসেল ভাই ছাড়া তাদের টাকা কেউ দিতে পারবে না। এজন্য নিঃশর্তে অথবা শর্তসাপেক্ষে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।

মাজেদুর রহমান নামে এক গ্রাহক বলেন, রাসেল ভাইয়ের কোনো অপরাধ নেই। অপরাধীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু তারা রাসেল ভাইকে জেলে আটকে রেখেছে। অবিলম্বে রাসেল ভাইয়ের মুক্তি দিতে হবে।

সবুজ হোসেন নামে একজন বলেন, আমরা যারা গ্রাহক এবং মার্চেন্ট আছি তারা চেয়েছিলাম রাসেল ভাইয়ের মুক্তি এবং তাকে নিরাপদ রাখা। কিন্তু একটি গোষ্ঠী চায়নি। তারা চেয়েছিল বাংলাদেশের ই-কমার্সকে ধ্বংস করতে। গ্রাহক ও মার্চেন্ট উপকৃত হোক সেটা তারা চায়নি। একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে না। তার কোনো অপরাধ নেই।

ইভ্যালির আরেক গ্রাহক শিবলী নোমানী বলেন, রাসেল ভাই গরীব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, মানুষকে ব্যবসা করার সুযোগ দিয়েছে। আমরা ডিসকাউন্টে পণ্য কিনেছি এটা কোনো অপরাধ নয়। হাত পা বেঁধে দিলে যেমন কেউ সাঁতার কাটতে পারে না তেমনি রাসেল ভাই ছাড়া কেউ টাকা পাবে না। তিনি ছাড়া কেউ ইভ্যালি চালাতে পারবে না।

প্রসঙ্গত, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতারণা করে ২৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আলমগীর হোসেন নামে একজন গ্রাহক ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বাড্ডা থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর রাসেল এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে সিআইডি। এ মামলায় বর্তমানে রাসেল কারাগারে রয়েছেন। আর তার স্ত্রী শামীমা গত ৬ এপ্রিল জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here