ঢাকায় ফিরেই শাকিব ইস্যুতে মুখ খুললেন জায়েদ খান

বাংলাদেশের চলচিত্রের সুপারস্টার শাকিব খানকে নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না। এই নায়কের ব্যক্তিগত জীবন, বিয়ে, সংসার, বিচ্ছেদকে ঘিরে গুঞ্জনের ডালপালা মেলছেই। তবে স্পষ্ট করে কখনোই কিছু বলছেন না তিনি।

আর সে কারণেই শাকিবকে নিয়ে যে কেউ তাদের নিজের মতো করে যেকোনো মন্তব্য চালিয়ে দিতে পারছেন। তাকে নিয়ে বিভিন্ন গুজবেরও সৃষ্টি করছেন। বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে নিচ্ছেন না ঢালিউড অভিনেতা এবং শিল্পী সমিতির সাবেক নেতা জায়েদ খান। শাকিবকে নিয়ে ঢালাও মন্তব্য শোভনীয় নয় বলে মনে করেন তিনি।

জায়েদ খান দীর্ঘ এক মাস পর নিজ জেলা পিরোজপুর থেকে ঢাকায় ফিরেছেন। সেখানে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ঢাকায় ফিরে এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

এসময় সাম্প্রতিক ইস্যুতে একা শাকিব খানের দোষ দেওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘এক শাকিব খানের দোষ দিয়ে আপনি কী করবেন? যে মেয়ে জানতেছে যে তার আরো দুইজন বউ আছে―কথার কথাই ধরে নিলাম, সে যদি তিন নম্বর চার নম্বর বউ হতে চায়, সেটাও তার প্রবলেম। প্রবলেম যে কারো একার তা না। এই জিনিসগুলো আসলে নিজেদের মধ্যে সমাধান হতে পারে। শিল্পীদের ব্যক্তি লাইফ থাকতেই পারে।

আমি কারো ব্যক্তি লাইফ নিয়ে কথা বলতে যাব না। সে যে কেউ হতে পারে। আমার কলিগ তিনি, একজন সুপারস্টার। তিনি বড় শিল্পী। তিনি নিশ্চয়ই তার গুণে, তার যোগ্যতায় এখানে এসেছেন। উনি সেটা ভালো বুঝবেন উনি কিভাবে জীবন যাপন করবেন। সেটা নিয়ে আমি কথা বলব না।

সাক্ষাৎকারে জায়েদ বলেন, ‘এফডিসির একজন জুনিয়র শিল্পী, যে কিনা একজন বস্তিবাসীর চরিত্রে অভিনয় করে, আমি তাকে ছোট করতে চাই না। কিন্তু সে যদি শাকিব খান সম্পর্কে উল্টাপাল্টা মন্তব্য করে বসে তাহলে সেটা খুবই খারাপ। এসব হয়েছে এফডিসিতে অবাধ ইউটিউবারদের যাতায়াতের কারণে।’

এসময় জায়েদ আরও বলেন, ‘একজন শিল্পী যদি তৈরি হয় সে তখন নিজের থাকে না, সে পাবলিক প্রোপার্টি হয়ে যায়। শিল্পীদের এই ব্যাপারগুলো দরজা আটকিয়ে বেডরুমের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত। সাংবাদিক পর্যন্ত আসা কখনোই উচিত না। এরচেয়ে অনেক বড় বড় ঘটনা ঘটেছে রাজ্জাক ভাইদের আমলে। আমি শুনেছি শিল্পী সমিতির সেক্রেটারি হওয়ার কারণে, রাজ্জাক ভাই-ফারুক ভাই, সোহেল রানা সাহেব, শাবানা আপাদের কেউ জানত না। জানতেই দেয়নি সাংবাদিকদের। বাসাতেই শেষ করে দিয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *