ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পূজা চেরি বলেছেন, ‘আসলে সমালোচনা-আলোচনা মিলিয়েই একটা কাজ হয়। অনেকেই পজেটিভ ছিল, অনেকেই নেগেটিভ ছিল, তো পজেটিভকে পজেটিভভাবেই নিচ্ছি, নেগেটিভ মন্তব্যকেও পজেটিভভাবেই নিচ্ছি। কারণ যদি খারাপটাকে না শুনতে পাই, তাহলে পরবর্তীতে ভালো করার আগ্রহ খুঁজে পাই না। খারাপটা শুনেছি বলেই পরবর্তীতে আমাদের আরও ভালো করতে হবে- এটা মাথায় আসে।’
শুক্রবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্টার সিনেপ্লেক্সে পূজা চেরি অভিনীত চলচ্চিত্র ‘হৃদিতা’ সিনেমাটি দেখেছেন নিজেও। পরে গণমাধ্যমের কাছে অনুভতি ব্যক্ত করে এসব কথা বলেন তিনি।
পূজা চেরি বলেন, ‘দর্শক হয়ে আসলে ওইরকম কিছু বলব না। পূজা চেরি হয়েই বলি। আমাদেরও কাজ করতে হয়। আমাদেরও কিছু বলতে ইচ্ছে করে। চেষ্টা করছি ভালো কাজ করার। দর্শকদের বলব, আপনারা হলে আসুন। ভালো হলে ভালো বলুন, খারাপ হলে খারাপ বলুন। তবে বলব আগে সিনেমাটা দেখেন, তারপর জাজ করেন। সিনেমা না দেখে কোনো মন্তব্য করা ঠিক নয়, সেটা খারাপ দেখায়।’
পূজা বলেন, ‘মার্কিং করার কোনো যোগ্যতা আমি রাখি না। কারণ আমি চাইও না এ রকম মার্কিং করার। কিন্তু দর্শকদের বলব, হৃদিতা ১০ এ কত পেয়েছে? আমি দর্শকদের ওপর ছেড়ে দিয়েছি। আমি নিজে মার্কিং করতে চাই না।’
পূজা আরও বলেন, ‘ইস্পাহানি আরিফ জাহান স্যার তারা তো অসাধারণ ডিরেক্টর। তারা অনেক হিট হিট সিনেমাও উপহার দিয়েছেন। সেই জায়গা থেকেই তাদের সঙ্গে হৃদিতায় যুক্ত হওয়া। খুবই ভালো লেগেছে। আরিফ ভাইয়ার কথা বলব, উনি তো খুবই ফানি একজন মানুষ। ইস্পাহানি ভাইয়াও খুব ভালো। তারা দুজনই খুব ভালো।’
এবিএম সুমনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে পূজা চেরী বলেন, ‘আমার তো ওনার সঙ্গে কাজ করে ভালোই লেগেছে। এখন আমাদের রসায়ন কেমন লাগল সেটা দর্শক বলবে। দর্শকের কাছেই আমার প্রশ্ন আমাদের কেমিস্ট্রি কেমন লাগল, কেমন এনজয় করলেন, দর্শকই আমাদের সেটা জানাবেন।’
