আইরার মা হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত: মিথিলা

অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর কলকাতার গুণী নির্মাতা সৃজিত মুখার্জীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বাংলাদেশের আলোচিত মডেল, অভিনেত্রী, উপস্থাপক রাফিয়াত রশিদ মিথিলা।

তবে তাহসানের সঙ্গে প্রথম সংসারে আইরা নামে এক কন্যা আছে মিথিলার। বর্তমানে সে মা মিথিলার সঙ্গেই থাকছেন। জানা গেছে, আইরাকে কলকাতার একটি স্কুলে ভর্তি করানো হয়েছে।

সম্প্রতি দেশের একটি সাক্ষাৎকারে মাতৃত্ব নিয়ে মিথিলা বলেন, মাতৃত্ব যেমন আনন্দের, গর্বের, সময় বিশেষে বুঝি বিড়ম্বনারও। মাতৃত্ব দায়িত্ব নিতে শেখায়। মাতৃত্ব যন্ত্রণাও দেয়। তবে আমি আইরার মা হতে পেরে খুবই আনন্দিত।

এবার পূজায় কোথায় ছিলেন? কেমন কেটেছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, সপ্তমীর দিনই ঢাকায় চলে এসেছি। এ সময় আবার আইরার স্কুলের ছুটি ছিল। আর ওর স্কুল ছুটি থাকলে আমি ঢাকায় চলে যাওয়ারই চেষ্টা করি সর্বদা। বাবা-মা পরিবারের সঙ্গেই পূজাটা সেলিব্রেট করেছি এবার। ঢাকায় পূজাটা বেশ জাঁকজমকপূর্ণভাবেই হয়। প্যান্ডেলে যাওয়া, বন্ধুদের বাড়িতে গিয়ে আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া সবই হয়। এই পূজায় আমি আমার প্রিয় জামদানি শাড়ি পরে ঘুরেছি। আর সৃজিত এমনিতেই পূজায় কলকাতায় ছিল না। ও শুটিং শেষ করে শিলং থেকে ফিরে মুম্বাই চলে যাবে। আমিও আফ্রিকায় ছিলাম, কিছুদিন আগেই ফিরেছি।

পূজায় ছোটবেলার কোনো স্মৃতি জড়িয়ে আছে?, মিথিলা বলেন, আমাদের পাড়ায়ই পূজা হতো। ছোটবেলায় আমি যে পাড়ায় থাকতাম, সেখানে সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির আছে। ঢাকার ওই এলাকাটার নামই সিদ্ধেশ্বরী। পূজার সময় প্রতিবার সেখানে মেলা হতো, সেখানে গিয়ে চুড়ি, টিপ, এটা ওটা সেটা কিনতাম। খেলনা কিনতাম। পূজার ঢাকে কাঠি পড়লেই গোটা পাড়ায় উৎসবের চেহারা নিত। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঢাকের আওয়াজে সরগরম। ঠাকুর দেখা ছাড়াও খাওয়া-দাওয়ার বিশাল আয়োজন হতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *