সবকিছু ফেলে আমাকে গ্রামের বাড়িতে যেতেই হয়: চঞ্চল চৌধুরী

করোনার কারণে গেল দুই বছর দুর্গাপূজা সেভাবে উদ্‌যাপন করা সম্ভব হয়নি। এবারের উৎসবটা তাই মিস করতে চান না তারকারা। সনাতন ধর্মাবলম্বী তারকাদের কেউ এখন গ্রামের বাড়িতে, কেউ ঢাকায়। আবার কলকাতায়ও আছেন কেউ।

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী স্ত্রী আর সন্তান নিয়ে ঢাকায় থাকলেও একটা নির্দিষ্ট সময়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়া চাই–ই চাই। যত ব্যস্ততাই থাক, পূজার এই সময়ে এক দিনের জন্য হলেও বাড়ি যেতে হবে।

এবারও পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি পাবনার সুজানগরের কামারহাটে গেছেন চঞ্চল চৌধুরী। সঙ্গে স্ত্রী ও সন্তান। পূজার কয়েকটা দিন একসঙ্গে কাটিয়ে আবার ৭ অক্টোবর ঢাকায় ফিরবেন চঞ্চল।

সংবাদমাধ্যমকে চঞ্চল বলেন, পূজার ছুটিতে সব ফেলে আমাকে গ্রামের বাড়িতে যেতেই হবে। এটা আমার চিরায়ত রুটিন বলা যায়। এ জন্য সোমবারই চলে এসেছি পাবনায়। করোনার সময় ছাড়া প্রতিবছরই গ্রামে এসে মণ্ডপ ঘুরে বেড়িয়েছি। বন্ধু আর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে মেতে উঠেছি হাসি-গান-আড্ডায়।

পূজার পরিপূর্ণ আনন্দ পেতে গ্রামের বাড়ি ছুটে গেলেও সেই শৈশবের পূজার আনন্দ এখন আর নেই বলেই জানালেন চঞ্চল চৌধুরী। অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে। তবে পূজা উপলক্ষে কাছের মানুষদের কাছাকাছি থাকাটা বেশ উপভোগ করেন তিনি।

চঞ্চল বলেন, এটা সত্য, ছোটবেলায় পূজায় যে আনন্দ ছিল- সেই আনন্দ এখন চাইলেও খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবু ভালো লাগে, পূজা উপলক্ষে প্রিয় মানুষদের কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ হয়। তাই বরাবরের মতো স্ত্রী আর ছেলেকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে এসেছি। এবারের পূজা সবার মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দিক- এটাই আমার চাওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *