বাংলা চলচ্চিত্রের অঘোষিত নবাব। যদিও আমি তাকে বাংলা চলচ্চিত্রের সোনার হরিণ বলি। ‘বাপ্পা’ এমন একজন অভিনেতা যাকে যেভাবে ইচ্ছে ভেঙে আবার গড়া যেত। রাজ্জাক ভাই গড়েছেন কিছু ছবিতে, তার প্রমাণ ‘বাবা কেন চাকর’সহ আরও ছবিতে।
‘বাপ্পার’ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়নি। ভাগ্য খারাপ না ভালো, তা বলা কঠিন হয়ে যাবে। কারণ ভাগ্য খারাপ হলে রাজ্জাক ভাই’র ঘরে জন্মাতেন না, নায়ক বা অভিনেতা হতো না। আবার রাজ্জাক ভাই’র ছেলে বলেই অনেক কিছুতে তুলনার পাল্লায় পড়ে যেতে হয়েছে। ভারতের অভিষেক আর অমিতাভ বচ্চন এর মতো।
অভিষেক ভালো অভিনয় করলেও মানুষ অমিতাভ বচ্চন এর সাথে মিলায় যে, অভিনয় ভালো তবে বাবার মতো না। ঠিক তেমনই ‘বাপ্পার’ বেলায়। অনেক ক্ষেত্রে রাজ্জাক ভাই এর সাথে মিলানো হতো যে, রাজ্জাক ভাই এর মতো হয়নি।
রাজ্জাক ভাই তো আর আরেকজন হবে না বা সম্ভব না। রাজ-রাজ্জাক ৪০/৫০ বছরে ১ জন জন্মায়। ‘বাপ্পা’কে শুধু ‘বাপ্পার’ জায়গায় ভাবলে আর ‘বাপ্পা’ কে নিয়ে শুধু অভিনেতা হিসেবে ভাবলে ‘বাপ্পা’ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ভাবনাহীন সাফল্য এনে দিতো।
এতকিছুর পরেও ‘বাপ্পা’কে ‘বাপ্পার’ মতো করে ভেবে চরিত্রায়ন করলে ‘বাপ্পা’কে দিয়ে অনেক কিছু করা সম্ভব। যদিও শিল্পী সমিতির নির্বাচন আর ভোট ছাড়া সে অর্থে ‘বাপ্পার’ মূল্যায়ন হয় না। আর এটা এই দেশে স্বাভাবিক। পারফেকশনিস্ট শব্দটার যথাযথ মূল্যায়ন ‘বাপ্পা’কে দিয়ে যায়।
(বাপ্পা, সম্রাট, বাপ্পি (বড় ছেলে), মুন্নি, লক্ষি ভাবিরা হচ্ছে আমার পরিবারের অংশ। আমার মন খারাপ হলেই বাপ্পাদের বাসায়, বাপ্পারা আমার বাসায়। যার কারণে আমি ছোট থেকেই ‘বাপ্পা’ ডাকি)।
ভালো থাকো আমার ঘোষিত সম্রাট নায়ক বাপ্পারাজ।
(অভিনেত্রী নূতনের ফেসবুক থেকে নেওয়া)
