ক্যারিয়ার শুরু নাচের মাধ্যমে। কিন্তু নাচের চেয়েও অভিনয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন। সোহানা সাবা ২০০৬ সালে কবরী পরিচালিত ‘আয়না’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখেন। এরপর খেলাঘর, চন্দ্রগ্রহণের মতো সিনেমায় নিজের অভিনয় দিয়ে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।
বর্তমানে অভিনয়ে এখন খুব বেশি একটা নিয়মিত না হলেও একেবারে ছেড়েও দেননি। বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে কাজ করছেন তিনি। অভিনয়ের মাধ্যমেই তিনি দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
তবে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে রয়েছে বেশ চর্চা। সেই চর্চার বিষয় হচ্ছে তিনি বিয়ে করেছিলেন নির্মাতা মুরাদ পারভেজের সঙ্গে। তবে সেই সংসার টেকেনি। বর্তমানে ছেলে সন্তানকে নিয়ে সিঙ্গেল মাদার হিসেবেই রয়েছেন তিনি।
কিন্তু এই সিঙ্গেল জীবন আর কতদিন? আর কি বিয়ে করবেন না—এ প্রশ্ন প্রায়ই শুনতে হয় তাকে। বিষয়টি নিয়ে আরও একবার সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বললেন এই অভিনেত্রী।
তিনি বলেন, সাত বছর ধরে আমি ছেলেকে (শুদ্ধ স্বরবর্ণ) নিয়ে একা আছি, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আর এখন এ নিয়ে কিছু ভাবছি না। তবে আমি পণ করিনি সারাজীবন একা থাকব। যখন সময় হবে তখনই সঙ্গী খুঁজে নেব।
আরেকটা বিষয় আমি শোবিজে ক্লাস এইট-নাইন থেকে কাজ শুরু করি। এরপর শুধু কাজের মধ্যেই ছিলাম। আর বিয়ের পর আমার জীবনটা আরও ছোট হয়ে আসে। কিন্তু আমার বন্ধুরা, ওরা পড়াশোনার পর জীবনটা উপভোগ করার অনেক সময় পেয়েছে। আমি তখন সংসার আর অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। যাই হোক, সেসব বিষয়ে কথা না বলাই ভালো। তবে আমি মনে করি, মেয়েদের ৩০ বছরের আগে বিয়ে না করাই ভালো।
তাহলে আপনি কি বলছেন, জীবনে ভুল করেছেন? সোহানা সাবা বলেন, না, এটা আমি বললাম না। কার সঙ্গে কার জুটি, সেটা আল্লাহ ঠিক করে রেখেছেন। আমার ভাগ্যে যা লেখা ছিল তাই হয়েছে। আমি বলতে চাই, বিয়ে মানে তো একটা লাইফটাইম ডিসিশন। তাই একটু ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তাহলে ভুলটা কম হয়। আমি মনে করি, একটু সময় নিয়ে সিদ্ধান্তটা নিলে আমার ভুলটা কম হতো।
অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি এখন উপস্থাপনা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সোহানা সাবা বলেন, এই মূহুর্তে আমার বন্ধুদের নিয়ে বিটিভি’র সাপ্তাহিক সেলিব্রেটি শো ‘তারার মেলা’র কাজ করছি। আর আমার ‘আড্ডা উইথ সোহানা সাবা’র কাজ তো আছে। আরটিভি’র ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি কাজ করছি। এই মূহুর্তে এই কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা যাবে না। কিছুদিন পরই বিষয়টি নিয়ে সবার সঙ্গে কথা বলা হবে।’
