সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন অনন্ত জলিল

“কিল হিম” সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানে অনন্ত জলিল কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দেশের সাংবাদিকদের খাওয়ানোরে একটি গল্প বলেছিলেন। তার সেই বক্তব্য ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ঢাকাই ছবির এ অভিনেতার।

অনন্ত জলিল বিষয়টি নিয়ে বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

অনন্তর পেজের পোস্টে বলা হয়, “শুনেছি, আমার বক্তব্যের রেশ ধরে কানে যাওয়া স্বনামধন্য সাংবাদিকদের ট্রল করা হচ্ছে। এটা খুবই অন্যায়।”

এর আগে মহরতে অনুষ্ঠানে অনন্ত দাবি করেন, “দিন দ্য ডে” ও “নেত্রী দ্য লিডার” সিনেমা দুটির ট্রেইলার প্রকাশনা ও প্রচারণার কাজে কানের মার্শে দ্যু ফিল্মে ছিলেন অনন্ত-বর্ষা। একপর্যায়ে বাংলাদেশ থেকে সংবাদ সংগ্রহের জন্য কান চলচ্চিত্র উৎসবে যাওয়া সাংবাদিকদের মধ্যে থেকে ১৪ থেকে ১৬ জনকে তিনি কানের মার্টিনেজ হোটেলে দুপুরের খাবার খাইয়েছিলেন। যেখানে একেকজনের দুপুরের খাবার খরচ ৪০০ ইউরো।

বুধবার সন্ধ্যায় অনন্ত জলিল লেখেন, ‘আমি আবারও বলছি, কান শহরে যাওয়া সাংবাদিকরা আমার নিমন্ত্রণ পেয়ে এসেছিলেন। বাংলাদেশেও আমার নিমন্ত্রণে মহরতসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অনেক সাংবাদিক আসেন। এসব আয়োজনেও আমরা খাওয়াদাওয়া করি। সুতরাং কানের ওই ঘটনা নিয়ে যারা ন্যক্কারজনকভাবে ঘাঁটাঘাঁটি করছেন, তারা সাধারণ একটি বিষয়কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।’

সংবাদকর্মীরা যদি তার কথায় আঘাত পেয়ে থাকেন সে জন্য অনন্ত আন্তরিকভাবে দুঃখিত উল্লেখ করে লেখেন, ‘কিল হিম সিনেমার মহরতে দেয়া আমার বক্তব্যে কান উৎসব কাভার করে আসা প্রিয় সংবাদকর্মীরা যদি আঘাত পেয়ে থাকেন সে জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমি মন থেকে বলছি, আপনাদের মোটেও ছোট করার বিন্দুমাত্র উদ্দেশ আমার ছিল না। আপনারা নিজ নিজ উদ্যোগে কান উৎসবে গিয়েছেন, এটা আপনাদের অনেক বড় অর্জন। আমি বিশ্বাস করি, আপনাদের নিজ নিজ যোগ্যতা না থাকলে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত কান চলচ্চিত্র উৎসবের মতো এমন আয়োজনে আপনারা যেতে পারতেন না। আপনাদের লেখালেখির সুবাদে আন্তর্জাতিক সিনেমার চিত্রটা আমরা জানতে পেরেছি। কানে আপনাদের দেখা পেয়ে আমি বরং আনন্দিত হয়েছি। অন্তত কিছুটা সময় বাংলা ভাষায় কথা বলতে পেরেছি।’

সতর্ক বার্তা দিয়ে অনন্ত লেখেন, ‘অনুরোধ নয়, হলুদ সাংবাদিকদের সবাইকে সতর্ক করে বলছি, এ বিষয়টি নিয়ে আর ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না। আমি এ ঘটনায় সত্যি বিব্রত। সাংবাদিকরা আমার সব সময় পছন্দের কাতারে ছিলেন, আছেন, থাকবেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *