নজর২৪, ঢাকা- চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে যৌ.ন হয়.রানি ও ধ.র্ষ.ণ চেষ্টার অভি.যোগে বাংলাদেশ মৎস্যজীবী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রেজওয়ান আলী খানসহ দুজনের বি.রুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মামলার অপর আসামি হলেন- আওয়ামী লীগের সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ মুরাদ।
আজ বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এর আদালতে ভুক্তভোগী সেই নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এর আগে ভুক্তভোগী সেই নারীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন আদালত। পরে ভাটারা থানাকে মামলার এজাহার গ্রহণ করার নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি শামীম আহমেদ মুরাদ ও রেজওয়ান আলী খান পরস্পর একই দলভুক্ত ও একজোট। তারা নারী দেহলোভী, দুষ্ট, লম্পট শ্রেণির লোক এবং নারীর দালাল ও শক্তিশালী চক্র। মামলার বাদিনী স্বল্পশিক্ষিত বিধায় তিনি যোগ্যতা অনুযায়ী অফিস সহকারী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
বৈশ্বিক মহামারির কারণে এর আগের কাজে নিয়োগপ্রাপ্ত না হওয়ায় অর্থনৈতিক দৈনকষ্টে দিনযাপন করছিলেন। এর আগের কাজের সুবাদে বাদিনীর সঙ্গে মুরাদের পরিচয় হয়। গত ২৭ অক্টোবর বাদিনী চাকরির আশায় মুরাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। চাকরি দেওয়ার আশা দিয়ে নারীকে রেজওয়ান তার অফিসে সাক্ষাৎ করতে বলেন।
এরপর বাদিনী কাজ পাওয়ার উদ্দেশ্যে গত ১ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেই অফিসে যান। সেখানে তিনি মুরাদকে দেখতে পান। কিন্তু তার দেওয়া ঠিকানায় কোনো অফিস পাননি তিনি। ওই ঠিকানা একটি ফ্ল্যাট বাসার ছিল। এরপর মুরাদ তাঁকে বলেন, স্যার (রেজওয়ান) ভেতরের রুমে আছেন। এরপর বাদিনী রুমে প্রবেশ করা মাত্রই কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার ওপর দুই আসামি ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তার ওপর পাশবিক ও যৌন নির্যাতন চালান।
