ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। পাঁচ বছরের ক্যারিয়ারে নিয়মিত নাটক, ওয়েব ফিল্ম, সিরিজে অভিনয় করলেও এবারই প্রথম সিনেমায় অভিনয় করলেন তাসনিয়া ফারিণ। আর সেটা শুরু হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গন দিয়ে।
টলিউডের প্রশংসিত নির্মাতা অতনু ঘোষের সিনেমাটির নাম ‘আরও এক পৃথিবী’। গত ১৯ মে থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে ছবিটির শুটিং হয়। টানা তিন সপ্তাহ চলেছে শুটিং।
এদিকে খুব অল্প সময়ে ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দায়! তাও এ দেশের নয়। এই সিনেমার অফার লুফে নেওয়ার কারণ কী ছিল ফারিণের?
সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিককে তিনি বলেন, আসলে দেশের বা দেশের বাইরের কাজ, তা নিয়ে ভাবিনি। সব সময় ভেবেছি ভালো একটি কাজ করতে হবে। এই অল্প সময়ের ক্যারিয়ারে সিনেমায় অভিনয়ের অনেক অফার এসেছে দেশ ও দেশের বাইরে থেকেও। কিন্তু করিনি। কারণ, সিনেমার বিষয়ে আমার কিছু টাইটেরিয়া ছিল। সেই টাইটেরিয়াগুলো পূরণ করতে পারেনি অফারগুলো। মোটকথা, ব্যাটে-বলে মিলছিল না। এটা মিলে তো ওটা মেলে না।
তবে ওপার বাংলার নির্মাতা অতনু ঘোষের ‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমায় আমি সব পেয়েছি। শতভাগ বলা যায়। এমন গল্পের সিনেমাই আমি খুঁজছিলাম। আর প্রথমবার মনের মতো এমন সিনেমা, তাই সুযোগটা হাতছাড়া করতে চাইনি। তাঁর মতো গুণী একজন পরিচালক আমাকে হুট করে কাজে ডাকবেন, তাও আনএক্সপেক্টেড ছিল। তবে আমার অভিনীত ‘লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান’র ক্রেডিটটা এখানে অনেক। সেটার কারণেই আসলে আমি ডাক পাই এই সিনেমায়।
সিনেমার প্রেক্ষাপট ও নিজের চরিত্রে কতখানি বৈচিত্র্যতা দর্শকের চোখে পড়বে? জানতে চাইলে ফারিণ বলেন, কাজ শেষ। লন্ডনে এই সিনেমার টানা ২০ দিন শুটিং হয়েছে। সিনেমাটির প্রেক্ষাপট লন্ডনকে ঘিরে। তাই পুরো শুটিং হয়েছে সেখানেই। মূলত চারজনের গল্প। যে চারজনের মাথার ওপর নিজস্ব ও বিশ্বস্ত ছাদ নেই। সেই ছাদ খোঁজার গল্প ফুটে উঠবে সিনেমায়। আবার চারটি আলাদা চরিত্র এক সুতায় বাঁধা পড়বে গল্পের প্রয়োজনেই। আমার চরিত্রের নাম প্রতীক্ষা। যে কি না ১১ বছর বয়স থেকেই অন্য চরিত্রের মাঝে নিজেকে খোঁজে। মননের খোঁজ করে। যাকে বলে সেলফ ডিসকভারি। এই প্রতীক্ষা একসময় বিশ্বস্ত ছাদের খোঁজে একটি সম্পর্কের সূত্রে পৌঁছায় লন্ডনে। বাকিটা আর বলা যাবে না… হাহাহা।
শুটিং করার অভিজ্ঞতা জানিয়ে তাসনিয়া ফারিণ বলেন, নতুন লোকেশন, নতুন টিম সবমিলিয়ে নতুন এক অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার। এই সিনেমায় আমার সঙ্গে যারা কাজ করেছেন তারা অনেক ফ্রেন্ডলি ছিল। শুটিংয়ের সময় আমরা অনেক মজা করেছি। মনেই হয়নি শুটিং করছি।
