বন্যা ও ভূমিধসে ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিধ্বস্ত হওয়ায় বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজারের সড়ক ব্যবহার করে দেশটির আসাম থেকে ত্রিপুরা, মণিপুর রাজ্যে জ্বালানি তেল ও তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নেবে ভারত।
দুই দেশের মধ্যে বুধবার (০৩ আগস্ট) এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হবে। কী শর্তে, কতদিনের জন্য ভারতীয় কোম্পানি বাংলাদেশের সড়ক ব্যবহার করে জ্বালানি পরিবহন করতে পারবে— তা নির্ধারিত থাকবে সমঝোতা স্মারকে। খবর- সমকালের
বাংলাদেশের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) এবং ভারতের ইন্ডিয়ান ওয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) বেলা আড়াইটায় সড়ক পরিবহন সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরীর উপস্থিতিতে এমওইউ সই হওয়ার কথা রয়েছে।
সওজের প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম মনির হোসেন পাঠান এমওইউ সইয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সওজ সূত্র জানিয়েছে, ভারতকে আপদকালীন সময় অর্থাৎ দুই মাসের জন্য বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে জ্বালানি পরিবহনের সুবিধা দেওয়া হবে। জ্বালানীবাহী ভারতীয় গাড়ির ভারতীয় ভিসা, ইমিগ্রেশন, কাস্টম ও রুট পারমিট সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। কিলোমিটারে প্রতি টন জ্বালানি পরিবহনের জন্য ভারতীয় গাড়ি ১ টাকা ৮৫ পয়সা টোল দেবে। চট্টগ্রাম, আশুগঞ্জ বন্দর থেকে (ট্রান্সশিপমেন্ট) পণ্য নিয়ে আসাম, ত্রিপুরায় যাওয়া ট্রাককে একই পরিমাণ টোল দিতে হয়।
ভারতীয় জ্বালানিবাহী গাড়ির চলাচলের সুবিধার্থে মৌলভীবাজার-শমসেরনগর-চাতলাপুর সড়কের ধলই সেতুর পুনর্বাসন এবং তামাবিল-সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ-রাজনগর-ব্রাহ্মণবাজার-শমসেরনগর-চাতলাপুর সড়কের সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার সওজে পাঠানো মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের খরচে এই সংস্কার কাজ করা হবে।
এমওইউ অনুযায়ী, মেঘালয়ের ডাউকি থেকে বাংলাদেশের সিলেটের তামাবিল হয়ে ঢুকবে জ্বালানি তেল, এলপিজিবাহী গাড়ি। সিলেট থেকে মৌলভীবাজারের শমশেরনগর থেকে চাতলাপুর চেকপোস্ট হয়ে ত্রিপুরার কৈলাশহরে যাবে। জ্বালানি পরিবহন শেষে একই পথে ভারতে ফিরে যাবে।
