পরাণ’র আয় দিয়ে আরও ৫ সিনেমা বানানো যাবে: প্রযোজক

দেশের চলচ্চিত্রে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের অংশ ‘বেদের মেয়ে জোসনা’। সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল এই সিনেমা মুক্তির আগে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা ভাবতে পারেননি এতটা সফল হবে। শুরুতে খুবই কম সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সিনেমাটি। পরে দেশের জনপ্রিয়তা ছাপিয়ে ওপার বাংলার মানুষের হৃদয়ও জয় করে সিনেমাটি।

একবিংশ শতাব্দীতে এসে দর্শক হৃদয় জায়গা করে নেয় ‘মনপুরা’। ২০০৯ সালে খুবই কম সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এটি। পর্যায়ক্রমে সারা দেশব্যাপী ঝড় তুলে। ২০২২ সালে এসে সে পথেই হাঁটছে ‘পরাণ’ সিনেমা। মুক্তির তৃতীয় সপ্তাহেও থাকছে ‘পরাণ’-এর দাপট।

স্বল্প বাজেটের ‘পরাণ’ সিনেমাটি ঈদুল আজহায় মাত্র ১১টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। মুক্তির পরই সিনেমাটি দর্শক মহলে সাড়া জাগায়। বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে টিকিট না পেয়ে অপেক্ষা করতে হয় দর্শকদের। বাধ্য হয়ে সিনেপ্লেক্স শো সংখ্যা বাড়িয়ে প্রতিদিন ১৮ শো করে। দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে এর হল সংখ্যা এক লাফে দাঁড়ায় ৫৫টি। তৃতীয় সপ্তাহে এসে হল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০টি। যা চতুর্থ সপ্তাহেও চলছে। বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য ‘পরাণ’ সুবাতাস তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

‘পরাণ’ সিনেমার প্রযোজক তামজিদ অতুল। সিনেমাটির সাফল্যে আনন্দিত তিনি। অতুল জানিয়েছেন, দেশের প্রেক্ষাগৃহে যে দর্শক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, এতে সিনেমাটি হলে আরও অনেক দিন প্রদর্শিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান লাইভ টেকনোলিজসের পরিচালক তামজিদ অতুল এও বলেন, পরাণের টাকা দিয়ে আরও পাঁচ সিনেমা বানানো যাবে আশা করি। এখনও সেলস বাম্পার, রিপোর্ট শো করব এই সপ্তাহে।

তিনি বলেন, ‘পরাণ’ সিনেমাটি ‘মনপুরা’র পর নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। এই সিনেমা দর্শক চাহিদা এখন তুঙ্গে। মনে হচ্ছে আরও অনেক দিন হল মালিককে এই সিনেমা রাখতে হবে। কারণ, সিনেমার গল্প ও নির্মাণ মানুষের হৃদয়ে গেঁথে গেছে। বহু দর্শক দেখছি, যারা সিনেমাটি নিজে দেখার পর বন্ধু, বান্ধব ও পরিবার নিয়ে দেখতে আসছেন। এটা সম্পূর্ণ একটা ম্যাজিক্যাল ব্যাপার। পুরো ক্রেডিট আমি টিমের সবাইকে দেব। বিশেষ করে পরিচালক রায়হান রাফিকে ধন্যবাদ দিতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *