আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দেশে মার্কিন ডলারের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারাবাহিক কমছে। অপরদিকে ডলারের বিপরীতে পতন হচ্ছে টাকার মান। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে প্রতি ডলার ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা দরে ৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানা গেছে, দেশে গত কয়েক মাস ধরে রিজার্ভ নিম্নমুখী। বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ তিন হাজার ৯৪৯ কোটি (৩৯ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন) ডলারে। প্রতি মাসে আট বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসাবে মজুতের বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে রিজার্ভ কমে এ পর্যায়ে নেমেছে। এর আগে ধারাবাহিকভাবে যা বাড়ছিল। ১০ বছর আগে ২০১৩ সালের জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৫ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। পাঁচ বছর আগে ছিল ৩৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার। সেখান থেকে বেড়ে গত বছরের আগস্টে প্রথমবারের মতো ৪৮ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলার হয়। গত কয়েক মাস ধরে রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমছে।
বছরের শুরুতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরের শেষ দিন ৩০ জুন রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার।
একদিকে আমদানি বেড়ে যাওয়া, অন্যদিকে প্রবাসী আয় কমার কারণে দেশে মার্কিন ডলারের চরম সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দিন দিন বাড়ছে দাম। অপরদিকে ডলারের বিপরীতে পতন হচ্ছে টাকার মান।
