অভিনয়শিল্পীদের ক্যারিয়ারের ওঠানামা নতুন কিছু নয়। দুর্দান্ত শুরুর পর অনেকেই প্রত্যাশামতো এগিয়ে যেতে পারেন না। কেউ হারিয়ে যান, কেউ ফিরে আসেন প্রবল বিক্রমে।
তবে একবার পিছিয়ে যাওয়ার পার আবার ফিরে এসে চমকে দেওয়া—বাংলাদেশে এমন উদাহরণ কম। তবে গত কয়েক বছরে ‘বাতিল’-এর খাতা থেকে ফিরে এসে মুগ্ধ করেছেন কয়েকজন অভিনয়শিল্পী। যাঁদের মধ্যে প্রথমেই বলা যায় আজমেরী হক বাঁধনের কথা।
অভিনয়ের শুরু ২০০৬ সালে। নিজের অভিনয় নিয়ে একটা সময় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। ওজন ঝরিয়েও বাদ পড়েছিলেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিনেমা থেকে।
তবে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ সিনেমার মাধ্যমে কেবল দেশে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দারুণ পরিচিতি তৈরি করে নিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র উৎসব থেকে জিতে নিয়েছেন পুরস্কার।
দেশের শোবিজে ঘুরে দাঁড়ানোর সেরা উদাহরণ তিনি। এ কথায় দ্বিমত নেই কারোর। এই প্রত্যাবর্তনের পেছনে তার আত্মবিশ্বাস ছিল মূল শক্তি। এখন তার নামের পাশে বলিউডও রয়েছে। কেননা হিন্দি সিনেমায়ও কাজ করে ফেলেছেন বাঁধন।
বাঁধন বিয়ে করেছিলেন ২০১০ সালে। তবে মাত্র চার বছরের মাথায় ভেঙে যায় সেই সংসার। একমাত্র কন্যা সায়রাকে নিয়ে চলে আসেন বাঁধন। মেয়েকে নিজের কাছে রাখতে আইনি লড়াইয়ে পর্যন্ত নামতে হয়েছিল তাকে। সেই লড়াইয়ে জয়ের পরই মূলত সীমাহীন সাহস সঞ্চার হয় তার মনে। মেয়েকে নিয়ে শুরু হয় এগিয়ে যাওয়ার নতুন যুদ্ধ। সে যুদ্ধে এখন বাঁধন বিজয়ীর দলে।
এখন মেয়ে সায়রা, বাবা-মা আর অভিনয় ঘিরেই বাঁধনের জীবন। নতুন কোনো পুরুষে মন আটকায়নি তার। বরং নিজেকেই ভালোবাসেন অভিনেত্রী। এ কথা জানালেন সোশ্যাল মিডিয়ার বরাতে।
সোমবার (১১ জুলাই) কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন বাঁধন। তাতে দেখা যায়, ঘন সবুজ রঙের একটি পোশাক পরে আছেন অভিনেত্রী। খোলা চুলে হাস্যোজ্বল মুখে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন। ছবিগুলোর ক্যাপশনে বাঁধন লিখেছেন, ‘প্রতিদিন নিজেকে আরও বেশি ভালোবাসার চেষ্টা করছি আমি।’
বাঁধনের এই নতুন রূপ দেখে মুগ্ধ তার অনুসারীরা। কেউ গানের লাইন মন্তব্য করে ভালোবাসা জানিয়েছেন, কেউবা জুড়ে দিয়েছেন হার্ট ইমোজি।
