গান শুনে কেঁদেছি, আমার গলা এখনো ভাঙা: দীঘি

সকাল থেকেই বৃষ্টি, তা থামে সন্ধ্যার দিকে। আর সংগীতপ্রেমীরাও হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন। কারণ আর কিছু নয়, কোক স্টুডিও বাংলার কনসার্ট।

এদিকে বৃষ্টি থামলেও ভোগান্তি শেষ হয়নি। কারণ ভেন্যু রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামের মাঠ পুরোটাই কাদাময়। তবে প্রকৃতির এমন বৈরিতা দমাতে পারেনি তারুণ্যের উচ্ছ্বাস। হাজার কণ্ঠ গেয়ে উঠেছে একেক শিল্পীর গান। রাত ৯টায় শুরু হয় কনসার্ট। তা চলে প্রায় সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

নেচে-গেয়ে-চিৎকারে এই আয়োজন দারুণ উপভোগ করেন উপস্থিত দর্শক। কনসার্টে তারুণ্যের উন্মাদনাও ছিল চোখে পড়ার মতো। আর এই কনসার্ট উপভোগ করেছেন শিশুশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়া ঢাকাই সিনেমার নায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি।

প্রথমবারের মতো কোনো ওপেন এয়ার কনসার্ট উপভোগ করতে গিয়ে বেশ উন্মাদনায় ছিলেন ‘চাচ্চু’ খ্যাত তারকা। আর তাইতো কনসার্টে প্রিয় শিল্পীদের গানের সঙ্গে চিৎকার করতে করতে গলাও ভেঙে গেছে তার। শুধু তাই নয় আর্মি স্টেডিয়ামে অর্ণবের কণ্ঠে ‘চিলতে রোদ’ গানটি শুনতে শুনতে আবেগে কেঁদেও ফেলেছিলেন এই নায়িকা।

শুক্রবার (১০ জুন) নিজের প্রথম ওপেন এয়ার কনসার্ট দেখার অনুভূতিও শেয়ার করেন দীঘি, ‘আমার জীবনের অন্যতম সেরা একটি দিন ছিল এটি। আমার গলা এখনো ভাঙা। ঠিকমত কথা বলতে পারছি না। আমি গিয়েছিলাম মূলত অর্ণব, তাহসান, জেমস, মমতাজ আন্টি সবার গান শোনার জন্য। মমতাজ আন্টির গান আমি তার খুব কাছ থেকেও শুনেছি। তবে কনসার্টে তার গান শোনার ব্যাপারই আলাদা।’

কোক স্টুডিও বাংলার অনেক বড় ফ্যান জানিয়ে দীঘি বলেন, ‘আমি কোক স্টুডিওর অনেক বড় ফ্যান। কোক স্টুডিও বাংলার ৫টা গান যখন শুনছিলাম স্পেশালি অর্ণবের কণ্ঠে ‘চিলতে রোদ’ শোনার সময় আমার চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে গেছে। কারণ অর্ণব আমার কাছে অনেক বড় আবেগের নাম। আমি এত এত পছন্দ করি। তার গান শুনতে শুনতে বড় হয়েছি।’

সবশেষ এই নায়িকা যোগ করেন, ‘তাহসানের গানেরও অনেক বড় ফ্যান আমি। তা সবাই জানে। তবে কাল আমার একটা শপথ ছিল জেমসের ‘তারায় তারায়’ না শুনে বাসায় ঢুকব না। এ জন্য দেরি করে ফিরলে যদি বাসায় মাইরও খেতে হয় আমি তাও খাবো। শেষ পর্যন্ত সেই গানটিও শুনেছি। সব মিলিয়ে অসাধারণ একটি দিন কেটেছে আমার। দারুণ উপভোগ করেছি বন্ধুদের সঙ্গে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *