হিরো আলম বেশ কিছুদিন ধরেই গান গাওয়া শুরু করেছেন। তার এসব গান সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি করেছে। সর্বশেষ রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে তুমুল সমালোচনার কবলে পড়েছেন এই ‘সোশ্যাল পারসন।’
গানটি নিয়ে সংগীতশিল্পী বেলাল খান একটি পোস্টের মন্তব্যে বলছেন, ‘ওর এই সব শিল্প মানহীন কন্টেন্টে মোটেও দেশ জাতির কোনো উপকার নেই এবং এগুলো যেহেতু সে এখন বাণিজ্যিকভাবে নিয়মিত করছে, তাই আমাদের উচিত ওর সব কিছুই এড়িয়ে যাওয়া।’
শুধু তা-ই নয়, কেউ কেউ হিরো আলমের নামে মামলা করার হুমকি দিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন উঠতি বাংলাদেশি নির্মাতাও রয়েছেন। তবে এসব বিষয় নিয়ে একদমই চিন্তিত নন হিরো আলম।
হিরো আলম বলেন, ‘আমি অনেক গান গাইছি; কিন্তু রবীন্দ্রসংগীত আসলে গাইনি। আপনারা যেটা দেখতেছেন, সেটা তো অল্প একটু গাইছি। একটা পিকনিকে গেছিলাম, সেখানে গাইছি। এইভাবে রবীন্দ্রসংগীত গাইলে তো আমার নামে মামলা হয়ে যাবে। আমি রবীন্দ্রসংগীত গাবো না। ’
যেটা ভাইরাল হয়েছে সেটা কোনো অফিশিয়াল কোনো গান না―এমনটাই উল্লেখ করে আলম বলেন, ‘আমি কেকে’কে স্মরণে একটা গান গাইছি। সেটা কাল রাতেই রিলিজ হয়েছে। আপনারা সেইটা শুনতে পারেন। রবীন্দ্রসংগীত যেইটা ভাইরাল হইছে সেইটা আমি শখ করে গাইছি দুই-তিন লাইন। ওইটা অফিশিয়াল নয়।’
‘আমারো পরানে যাহা চায়’ গানের হিরো আলম ভার্সনের মিউজিক ভিডিও রয়েছে। সেখানে কিছু দৃশ্যে তাকে গিটার হাতে গানটি গাইতে দেখা যায়। হিরো আলমের গাওয়া গানের কিছু লাইন ও শব্দের সঙ্গে মূল গানের লাইন ও শব্দের মিল পাওয়া যায়নি। গানটির কারণে ট্রল হয়েছেন হিরো আলম।
পরে একটি সংবাদমাধ্যমকে হিরো আলম বলেন, ‘প্রকাশের পর আমি বুঝতে পেরেছি যে গানটি করা আমার ঠিক হয়নি। আমি ক্ষমা চাইছি।’
এমন উপলব্ধি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে গানটি আমার গলায় যায় না। আমি অনেক গানই গেয়েছি, সেসব প্রকাশ করার মাধ্যমে আমি বুঝতে চেয়েছি কোনগুলো শ্রোতারা পছন্দ করেন, কোনগুলো করেন না। তো আমার মনে হয়েছে কবিগুরুর গান শ্রোতারা আমার গলায় পছন্দ করছেন না।’
