ছোট পর্দার এই সময়ের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। গত ঈদে তাঁর অভিনীত একাধিক নাটক প্রশংসিত হয়েছে। তাকে আগামী দিনের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় অভিনেত্রী হিসেবে দেখছেন নাট্যপ্রেমীরা।
সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে কথা বলেন কেয়া পায়েল। সেখানে তিনি ঈদের নাটকের কথা, নাটকের সিন্ডিকেটসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন।
প্রশ্ন: ঈদুল ফিতরে আপনার অভিনীত বেশ কয়েকটি নাটক প্রশংসিত হয়েছে। দর্শকদের কাছ থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
কেয়া পায়েল: ভালোই সাড়া পেয়েছি। দর্শকদের ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি। আমার অভিনীত চরিত্র নিয়ে অনেকের মুখে প্রশংসা শুনেছি। অনেকে আবার আমাকে চরিত্রের নামে ডাকছেন। এটা আমার জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা। বুঝতে পারছি দর্শক আমাকে পছন্দ করতে শুরু করেছেন। প্রচারিত নাটকগুলোর মধ্যে ‘ভুলোনা আমায়’ নাটকের কথা মানুষ বেশি বলছেন। এগুলো আমার জন্য ভালোলাগার।
প্রশ্ন: নাটকের কোন চরিত্রে প্রতি আপনার দুর্বলতা আছে বা কোন চরিত্রগুলো আপনাকে টানে?
কেয়া পায়েল: চঞ্চল প্রকৃতির চরিত্রে অভিনয় করতে আমি বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। মন খারাপ করা চরিত্রগুলো আমাকে টানে না। আমারতো মাত্র শুরু তাই এতকিছু ভেবে অভিনয় করি না। ভালোলাগা ও ভালোবাসা থেকে নাটকের গল্প, চরিত্রে অভিনয় করি।
প্রশ্ন: এবারের ঈদে বেশকিছু নাটকে অভিনয় করলেন। চরিত্রগুলোর প্রতি কতটা মনোযোগী হতে পেরেছিলেন?
কেয়া পায়েল: এসব নাটকগুলো বিভিন্ন সময়ে করেছি। কিন্তু, ঈদে একসঙ্গে প্রচার হয়েছে। বেশি নাটকে অভিনয় করেছি অভিজ্ঞতা বাড়ানোর জন্য। আমি আরও ভালো কাজ করতে চাই। বহুমাত্রিক চরিত্রে কাজের সুযোগ এসেছে। নিজেকে প্রমাণ করতেই এসব নাটকে অভিনয় করেছি।
প্রশ্ন: নাটকে একটা সিন্ডিকেটের কথা শোনা যায়। আপনিও কি এগুলোর মুখোমুখি হয়েছেন? যতদূর শোনা যায় নাটকের নায়িকাও নাকি নির্বাচন করেন এই সিন্ডিকেট?
কেয়া পায়েল: আমার আসলে এসব বিষয়ে ধারণা নেই। মোটামুটি সব অভিনেতার সঙ্গে অভিনয় করেছি। তাই ঠিক বলতে পারব না এমন হয় কিনা। তবে, এটা ঠিক আমাদের এখানে নায়িকারা নায়ক ঠিক করে না। এগুলো ঠিক করেন পরিচালক। এমনটাই দেখে আসছি, তাই কোনো সিন্ডিকেটের কথা বলতে পারছি না। আমি নাটকের গল্প, চরিত্র, পরিচালক দেখে অভিনয় করি, আমার বিপরীতের অভিনেতা দেখে না।
