ঢাকাসহ দেশের ১১ অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বুধবার (১ জুন) এমন আভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানিয়েছেন, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সাগরে গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের ঝড়ের শঙ্কা থাকায় সব সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
পশ্চিমের লঘুচাপের প্রভাবে দেশের মধ্যে বজ্র মেঘ তৈরি হচ্ছে, এই মেঘের প্রভাবে দেশের মধ্যে এখন ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বা বর্ষা এরই মধ্যে দেশে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। জুনের মাঝামাঝি সময়ে সারা দেশে বর্ষা বিস্তার লাভ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সারা দেশে বৃষ্টি হয়েছে। এ সময়ে চেয়ে বেশি ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে নোয়াখালীর মাইজদীকোর্টে। সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয়েছে রংপুরে। বিভাগের মধ্যে শুধু রাজারহাটে ২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার সকাল থেকে ঢাকার আকাশে মেঘের আনাগোনা রয়েছে। সকাল থেকে রাজধানীর নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, কল্যাণপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানায়, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু টেকনাফ উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। এটি আরও অগ্রসর হওয়ার জন্য আবহাওয়াগত পরিস্থিতি অনুকূলে রয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে মৌসুমি বায়ু চট্টগ্রাম উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে।
