অনেক আগেই শিশুশিল্পী হিসেবে তারকা খ্যাতি পেয়েছেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। ২০২১ সালে মুক্তি পায় নায়িকা হিসেবে তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘তুমি আছো তুমি নেই’ মুক্তি পায়। এরপর ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’ নামের আরো একটি সিনেমায় দেখা গেছে তাকে।
এবার নতুন প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে দীঘিকে। ২ জুন রাত ৮টায় ওয়েব প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে দীঘির প্রথম ওয়েব ফিল্ম ‘শেষ চিঠি’। যার কারণে নায়িকা খুব এক্সাইটেড।
তিনি বলেন, ‘শেষ চিঠির’ টিজার প্রকাশের পর সকলের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি। এটা আমার জন্য ব্লেসিং। এ কারণে কাজটি নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড।
দীঘি আরও বলেন, ওয়েবে আমার প্রথম ডেবিউ হচ্ছে। এ কারণে চ্যালেঞ্জ অনেক। কিছুটা টেনশনও হচ্ছে। আমার কাজের প্রতি মানুষের যে প্রত্যাশা জানি না কতখানি পূরণ করতে পারবো। তবে আমি যথা সাধ্য চেষ্টা করেছি। ওয়েবে এখন অনেকেই খুব ভালভাবে কাজ করছেন। সেখানে আমি কতটা দিতে পেরেছি সেটা নিয়েও টেনশনে আছি, এর কারণে ঠিকমত ঘুম হচ্ছে না!
ওয়েব ফিল্মে দীঘির চরিত্রের নাম তুলি। এই তুলি অভিনেতা ইয়াশ রোহানের স্ত্রী, সাবেরী আলম তাঁর শাশুড়ি। পরিচালনা করেছেন সুমন ধর।
গল্পের ধারণা দিয়ে দীঘি বলেন, ভালোবাসে বিয়ে করে সংসার শুরু হয়। কিন্তু শ্বাশুড়ি কখনই বউকে মেনে নেয়নি। এরমধ্যে নানা রকম টানাপোড়েনে চলতে থাকে নতুন সংসার। একটা সময় দাম্ভিক শ্বাশুড়ি জিতেও হেরে যায়!
তুলি চরিত্রটি নিয়ে দীঘি জানান, এটি অনেকটাই তার সঙ্গে কিছুটা রিলেট করতে পারে। তুলি চঞ্চল প্রকৃতির মেয়ে, দীঘিও তাই। তবে পরবর্তীতে তুলির জীবনে কিছু পেইন আসে, সেটি ব্যক্তিজীবনে দীঘির অজানা ছিল। বললেন, চরিত্রে পেইন নিতে গিয়ে নিজেকে কিছুটা ভাঙতে হয়েছে। যে টিমের সঙ্গে কাজ করেছি তারা না থাকলে হয়তো চরিত্রটা ঠিকমত দিতে পারতাম না।
