খোঁজ নেই জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পপির। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি লাপাত্তা। অভিনেত্রী কোথায় আছেন, কার সঙ্গে আছেন, কী করছেন- সে খবর জানে না কেউ। মাঝে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের আগে কয়েক মিনিটের জন্য দেখা মিলেছিল পপির। তবে সরাসরি নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায়। ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বোমা ফাটিয়েছিলেন জায়েদ খানের বিরুদ্ধে। করেছিলেন ভয়ানক অভিযোগ।
এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায়ও মুখ দেখাননি পপি। তিনি কি আর কোনো দিন প্রকাশ্যে আসবেন না? লোকচক্ষুর অন্তরালেই কি থেকে যাবেন বাকি জীবন? জবাব হলো, পপি প্রকাশ্যে আসবেন। তবে বিশেষ একটি ঘটনা ঘটা বা না ঘটার উপর নির্ভর করছে নায়িকার প্রত্যাবর্তন।
সেই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত আরেক জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার। যিনি শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে গত ছয় মাস ধরে লড়াই করছেন জায়েদ খানের সঙ্গে। বার বার দৌঁড়াচ্ছেন আদালতের বারান্দায়। সম্প্রতি পপির ফেরার বিষয় নিয়ে একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে কথা বলেন নিপুণ। সেখানে তিনি জানান, পপি ফিরবেন। তবে বিশেষ ঘটনার প্রেক্ষিতে।
নিপুণের কথায়, ‘আপনারা দেখেছিলেন যে, ইলেকশনের আগে পপি কিছু ভিডিওবার্তা পাঠিয়েছিল। তারপর আমরা ওর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি। যোগাযোগ হয়েছেও। এটুকু শুধু বলতে পারে, পপি ভালো আছে, সুস্থ আছে, নিরাপদে আছে। ফেরার বিষয়ে ও একটা কথাই আমাকে বলেছে যে, ‘তোমার (নিপুণের) পদটা যেদিন ফিক্সড হবে, সে দিনই আমি সামনে আসব।’
অর্থাৎ, শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে আদালতে যে শুনানি চলছে, সেটির রায় নিপুণের পক্ষে হলেই সামনে আসবেন পপি।
প্রসঙ্গত, তিনি ১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবরের কুলি ছায়াছবিতে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে আবির্ভূত হন পপি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে অন্যতম আবেদনময়ী এই অভিনেত্রী এ পর্যন্ত মেঘের কোলে রোদ, কি যাদু করিলা, গঙ্গাযাত্রা ছায়াছবিতে অভিনয়ের করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
